বাংলাদেশ থেকে তাজা সবজি রপ্তানি হচ্ছে বিশ্বের প্রায় ৪০টির বেশি দেশে। এরপরও বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের সবজির বাজারের ব্যাপ্তি খুবই সীমিত।
এর অন্যতম কারণ দীর্ঘদিন ধরেই সবজি রপ্তানির সিংহভাগ যাচ্ছে ঘুরে ফিরে ছয়টি দেশে।
বাকি দেশগুলো থেকে যে রপ্তানি আয় হচ্ছে তা হিসাবের তুলনায় খুবই নগণ্য।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বলছে, বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি সবজি রপ্তানি আয় আসা ছয়টি দেশ হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, কাতার, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব ও কুয়েত।
এর বাইরে ইতালি, সিঙ্গাপুর, বাহরাইন, সুইডেন, কানাডা, জার্মানির মতো অন্যান্য ৩৫টির বেশি দেশ থেকে সবজি রপ্তানির আয় আসছে মোট রপ্তানির মাত্র ২০ শতাংশ।
ইপিবির সবজি রপ্তানি আয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ চিত্র পাওয়া গেছে।
দীর্ঘদিন ধরে বিমানের বাড়তি ভাড়ার কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষিপণ্য রপ্তানিকারকরা।
সবজির বিশ্ববাজারে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের পণ্যগুলোর ধরন একই। তিন দেশের রপ্তানির গন্তব্যও একই।
কিন্তু ভারত-পাকিস্তানের ভাড়া ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বেশি হওয়ায় বিদেশি ক্রেতারা তাদের থেকেই বেশি পণ্য কিনছেন
ইপিবির প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশ থেকে গত অর্থবছর (২০২০-২১) ১১ কোটি ৮৭ লাখ ডলারের (ইউএস) সবজি বিদেশে রপ্তানি হয়েছে।
এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আয় এসেছে ২ কোটি ৮৩ লাখ ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ২৪ শতাংশ।
এরপর ২ কোটি ৩৩ লাখ ডলারের সবজি গেছে মালয়েশিয়ায়, যা মোট রপ্তানির ২০ শতাংশ।
মোট রপ্তানির ১২ শতাংশ গেছে কাতারে অর্থাৎ ১ কোটি ৪৩ লাখ ডলার।