কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়েতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজের ধাক্কায় দুটি গরুর মৃত্যু হলেও সেখানে ১৬০০ মিটার জায়গায় সীমানা প্রাচীর দেওয়া যাচ্ছে না।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় বলছে, সীমানা জটিলতাই স্থায়ী প্রাচীর নির্মাণে বড় বাধা।
রোববার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ২৩তম বৈঠকে কক্সবাজার বিমানবন্দরের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ নিয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ‘সীমানা জটিলতার’ বিষয়টি জানানো হয়।
বৈঠকের কার্যবিবরণীতে থেকে জানা যায়, সেখানে বিমানের সঙ্গে গরুর থাক্কা লাগার পর সংসদীয় কমিটি কক্সবাজার বিমানবন্দরের নিরাপত্তার জন্য ফেন্সিং নির্মাণের সুপারিশ করে।
আর অরক্ষিত ওই বিমানবন্দরটি সুরক্ষিত করার সুপারিশ করে।
এ সুপারিশ বাস্তবায়ন অগ্রগতিতে এ তথ্য জানায় মন্ত্রণালয়।
সেখানে বলা হয়, কক্সবাজার বিমানবন্দরের অপারেশনাল এলাকার চারিদিকে স্থায়ী সীমানা প্রাচীর ও লিংক ওয়্যার ফেন্সিং স্থাপনের মাধ্যমে নিরাপত্তা রক্ষা করা হচ্ছে।
পারিপার্শ্বিকতার কারণে এ বিমানবন্দরের নিরাপত্তার স্বার্থে লিংক ওয়্যার ফেন্সিংয়ের পরিবর্তে স্থায়ী সীমানা প্রাচীর নির্মাণের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে লিংক ওয়্যার ফেন্সিংয়ের পরিবর্তে স্থায়ী সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ চলমান।