‘চাল ছাঁটাইয়ে পুষ্টিমান কমে ৬০ ভাগ’

দেশে বিভিন্ন জাতের চাল ছাঁটাই করে মিনিকেট ও নাজিরশাইল নামে বিক্রি হয়।

এভাবে ছাঁটাইয়ের (পলিশ) কারণে চালের পুষ্টিমান জাতভেদে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়।
অন্যদিনে চালকলগুলোতে একটি চালের দানা ১৮ শতাংশ পর্যন্ত ছাঁটাই করা হয়।
এর অর্ধেকটা কমানো গেলে প্রায় ২৫ লাখ টন চাল সাশ্রয় করা সম্ভব।
যা এখন ছাঁটাইয়ের পরে প্রাণীখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এছাড়াও রাইস ব্রান তেলের উপাদান হিসেবেও এটি ভারতে পাচার হচ্ছে।

বুধবার বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
‘নিউট্রিশন অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাসেসমেন্ট অব পলিশড রাইস সোলড ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এ গবেষণা প্রকাশ করেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য ড. আব্দুল অলিম।

তিনি বলেন, এ গবেষাণায় আমরা চাল পলিশিংয়ের দুটি ক্ষতিকর দিক পেয়েছি।
যার একটা, পলিশিংয়ের কারণে ওপরের আবরণ ছেঁটে ফেলা হয়।
এর ফলে পুষ্টিমান কমে যাচ্ছে। কারণ চালের বাইরের আবরণে পুষ্টিমান বেশি থাকে।

আব্দুল অলিম বলেন, এ গবেষণায় আমরা দেখেছি ১০ শতাংশ ছাঁটাই করলে প্রায় ৬০ ভাগ পর্যন্ত পুষ্টি কমে।
যেখানে মিলগুলোতে ৫ শতাংশ থেকে ১৮ শতাংশ পর্যন্ত চাল ছাঁটাই করছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
বিশেষ করে পলিশিং চালে মিনারেল ও জিংক-আয়রনের মাত্রা একেবারেই কমে যায়। যেটা থাকাটা স্বাাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Comments (0)
Add Comment