ঈদের ছুটি শেষ? অভিনয় শুরু করেছেন?
হ্যাঁ, এনটিভির ধারাবাহিক নাটক মায়ার কাজ দিয়ে ঈদের পর শুটিংয়ে ফিরেছি। আজ কোনো কাজ করছি না। বাসায় বসে সুবর্ণা মুস্তাফা ও তারিক আনাম খানের হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে নাটকটির পুনঃপ্রচার দেখছি।
নিজের অভিনয় করা ঈদের নাটকগুলো কি দেখেছেন?
বেশ কয়েকটি দেখেছি। নিজের নাটকের বাইরে সাবিলা নূর ও সিয়াম অভিনীত মন শুধু মন ছুঁয়েছে নাটকটি খুব ভালো লেগেছে। বাকি নাটকগুলো একে একে ইউটিউবে দেখে নেব।
নিজের নাটকগুলো দেখে কী মনে হয়েছে?
সব সময় একই অনুভূতি হয়। কখনো অনেক বেশি ভালো লাগে, কখনো অনেক বেশি আক্ষেপও থাকে। ইশ্ আরেকটু সময় যদি পেতাম, তাহলে আরও ভালো করতে পারতাম।
অনেকেই বলছেন, তাঁরা নাটক দেখছেন না। এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কী?
ঢালাও মন্তব্য শুনতে আমি রাজি নই। আমি বিশ্বাস করি, অনেক নাটকের ভিড়ে উন্নত মানের নাটকও তৈরি হচ্ছে। এটাও ঠিক যে অনেক নাটকের ভিড়ে ভালো নাটকগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। দর্শকেরা সব কাজ দেখতে পারছেন না। আর তখনই ঢালাও মন্তব্য করছেন। কিন্তু আমার প্রশ্ন হচ্ছে, বিশেষ দিবসে আমাদের এখানে এত নাটক হয় কেন? এত নাটক হওয়ার দরকার কি আছে? আমরা কি এত নাটক বানানোর জন্য প্রস্তুত আছি? আমাদের দেশের এতগুলো টেলিভিশন চ্যানেল পরিচালনার জন্য যোগ্য লোকবল কি আছে? এক ঈদে ২৫০ থেকে ৩০০ নাটক নির্মাণ করা হয়, এতগুলো নাটক বানাতে গেলে শিল্পী, পরিচালক ও কলাকুশলী সবার ওপর বাড়তি চাপ পড়ে।
নাটক দেখানোর জন্য কি উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে?
প্রথমে আমি বলতে চাই, নাটকের জন্য উন্নত মানের গল্প বাছাই করতে হবে। অভিনয়ের জন্য অভিনয়শিল্পীদের পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে। টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর নিজস্ব উদ্যোগে জরিপ করে জানতে হবে, কী ধরনের নাটক দর্শকেরা দেখতে চান। তারপর সেভাবেই চ্যানেলগুলোকে নাটক নিয়ে ভাবতে হবে। ভালো বাজেটও লাগবে।