Airbus বাংলাদেশের বিমান খাতে নিজেদের অবস্থান জোরদার করতে আবারও সক্রিয় হয়েছে। Boeing থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির মাত্র চার দিনের মাথায় প্রতিষ্ঠানটি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে ‘মিক্সড ফ্লিট’ গঠনের সুবিধা তুলে ধরেছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীতে আয়োজিত বৈঠকে এয়ারবাসের ভাইস প্রেসিডেন্ট এডওয়ার্ড ডেলাহায়ে মন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইজার সোহেল আহমেদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
বৈঠকে এয়ারবাস জানায়, বোয়িংয়ের পাশাপাশি এয়ারবাসের উড়োজাহাজ যুক্ত করে ‘মিক্সড ফ্লিট’ গঠন করলে এয়ারলাইন্সের পরিচালন সক্ষমতা ও বাণিজ্যিক নমনীয়তা বাড়বে। ন্যারোবডি ও ওয়াইডবডি উড়োজাহাজের সমন্বয় থাকলে স্বল্প ও দীর্ঘ দূরত্বের রুটে দক্ষতা বাড়ে, যাত্রী চাহিদা অনুযায়ী বিমান ব্যবহার সহজ হয় এবং লোড ফ্যাক্টর বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি ওয়াইডবডি উড়োজাহাজ ব্যবহারের মাধ্যমে কার্গো আয়ের নতুন সুযোগও তৈরি হয়।
সূত্র জানায়, ২০২৪ সালে এয়ারবাস থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা থাকলেও রাজনৈতিক পরিবর্তন ও আর্থিক শর্ত নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি। পরবর্তীতে নতুন করে প্রস্তাব দেয় উভয় নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক সুবিধা বিবেচনায় সরকার বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করে।
তবে সাম্প্রতিক এই বৈঠকের মাধ্যমে এয়ারবাস আবারও স্পষ্ট করেছে, তারা বাংলাদেশের বিমান খাতে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদার হতে আগ্রহী। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে যদি মিক্সড ফ্লিট বাস্তবায়ন হয়, তাহলে দেশের এভিয়েশন খাতে প্রতিযোগিতা ও দক্ষতা—দুটিই উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।