কক্সবাজার বিমানবন্দরের প্রথম বোর্ডিং ব্রিজে ইউএস-বাংলা

কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে প্রথমবারের মতো বোর্ডিং ব্রিজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ।

কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে প্রথমবারের মতো বোর্ডিং ব্রিজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ। এর মধ্য দিয়ে বিমানবন্দরটির আধুনিক যাত্রীসেবার ক্ষেত্রে নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা হলো।

গত শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের উড়োজাহাজটি প্রথমবারের মতো কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালের বোর্ডিং ব্রিজ ব্যবহার করে। এয়ারলাইনসটির ফ্লাইট বিএস ১৪৫-এর মাধ্যমে এ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করে।

বোর্ডিং ব্রিজ বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনকে সরাসরি উড়োজাহাজের সঙ্গে সংযুক্ত করে। এর মাধ্যমে যাত্রীরা টার্মিনাল থেকে সরাসরি উড়োজাহাজে ওঠানামা করতে পারেন। ফলে যাত্রীদের উড়োজাহাজে ওঠার জন্য বাইরে দিয়ে হেঁটে যেতে হয় না কিংবা সাধারণত খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করতে হয় না। বিশেষ করে বৃষ্টি, রোদ কিংবা প্রতিকূল আবহাওয়ায় বোর্ডিং ব্রিজ যাত্রীদের জন্য বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করে।

কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে এই সুবিধা চালুর ফলে যাত্রীদের চলাচল আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বিমানবন্দরে আধুনিক যাত্রীসেবা সম্প্রসারণের পথও সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক বালুময় সমুদ্রসৈকতের জন্য পরিচিত কক্সবাজার বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে এ অঞ্চলের আকর্ষণ থাকায় বিমানপথে যাতায়াতের চাহিদাও গুরুত্বপূর্ণ। এ অবস্থায় বিমানবন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং যাত্রীসেবার মান বাড়ানো পর্যটন খাতের বিকাশেও ভূমিকা রাখতে পারে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস জানিয়েছে, যাত্রীদের উন্নতমানের সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাচ্ছে। যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে আধুনিক সুযোগ-সুবিধার ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে এয়ারলাইনসটি।

কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে বোর্ডিং ব্রিজের ব্যবহার শুরু হওয়াকে আধুনিক বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনার একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে যাত্রীদের অভিজ্ঞতা উন্নত হওয়ার পাশাপাশি বিমানবন্দরের সেবার মান আরও বাড়বে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

তবে এই সুবিধা নিয়মিতভাবে কতটি ফ্লাইটে ব্যবহার করা হবে এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজও পর্যায়ক্রমে বোর্ডিং ব্রিজের সঙ্গে যুক্ত হবে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

Comments (0)
Add Comment