সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট উত্তর আমেরিকার সভাপতি মিথুন আহমেদের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এখনই তাদের প্রতিহত করা না গেলে বাংলাদেশে আবার জঙ্গিবাদের বিস্তৃতি ঘটবে।
বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মুক্তমনা লেখক অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ডের এক মাস পেরোতে না পেরোতেই ব্লগার ওয়াশিকুর রহমান বাবুকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। এই হত্যার দায় রাষ্ট্র কখনো এড়াতে পারে না।
তারা বলেন, অধ্যাপক হুমায়ূন আজাদ হত্যার বিচার হয়নি। এ কারণে খুুনিরা ব্লগার রাজীবকে, এরপর অভিজিৎকে হত্যা করেছে। আর অভিজিত্ হত্যার প্রকৃত খুনিদের গ্রেফতারে রাষ্ট্রের ব্যর্থতার ধারাবাহিকতায় খুন হয়েছেন ব্লগার ওয়াশিকুর। বক্তারা অবিলম্বে ওয়াশিকুরের খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
সমাবেশে বক্তব্য দেন প্রবীণ সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ, টিভি অভিনেত্রী লুত্ফুন নাহার লতা, নারী নেত্রী অধ্যাপিকা হুসনে আরা বেগম, সাংবাদিক নিনি ওয়াহেদ, শরীফ সাহাবউদ্দিন, মুজাহিদ আনসারী, অ্যাক্টিভিস্ট মিনহাজ আহমেদ শাম্মু, জাকারিয়া চৌধুরী, গোপাল স্যানাল, শিবলী সাদেক প্রমুখ। ।
সমবেত কণ্ঠে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। বক্তারা ‘জল্লাদের উল্লাস মঞ্চ, এ আমার দেশ না’ লেখা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড বহন করেন।