বাংলাদেশ বিমান পাইলটের দক্ষতা ও নৈপুণ্যে মুগ্ধ আন্তর্জাতিক পাইলট অ্যাসোসিয়েশন। বিমানের ফাইট বিজি ১২২-এর অপারেটিং ক্যাপ্টেন নওশাদকে তার দক্ষতার জন্য প্রশংসাপত্রও দিয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব এয়ারলাইন্স
পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের (আইএফএএলপিএ) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ক্যাপ্টেন রোবন অ্যাবেল।
বিমানের পক্ষ থেকে গতকাল জানানো হয়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এই দক্ষ পাইলট বোয়িং ৭৩৭-৮০০ নিয়ে মাস্কাট বিমানবন্দর থেকে ২২ ডিসেম্বর ভোররাত ৪টা ৪৮ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করে। বিজি ১২২ ফাইটটি টেক-অফ করার পর মাস্কাট বিমানবন্দর কন্ট্রোল টাওয়ার থেকে জানানো হয় যে, রানওয়েতে টায়ারের কিছু অংশ পাওয়া গেছে, তা সম্ভবত বিমান এয়ারক্রাফটের। তখন ফাইটের ক্যাপ্টেন নওশাদ নিরাপত্তার স্বার্থে চট্টগ্রামের পরিবর্তে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন। এ সময়
তার অনুরোধে ঢাকায় জরুরি অবতরণের জন্য সব ধরনের সতর্ক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ল্যান্ডিংয়ের আগে ক্যাপ্টেন ফাইটটি নিয়ে রানওয়ের ওপর দুবার লো-লেভেলে ফাই করেন। তখন দেখা যায়, বিমানটির পেছনের একটি টায়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ অবস্থায়ও ক্যাপ্টেন নওশাদ তার অসাধারণ দক্ষতা ও অসামান্য নৈপুণ্যের স্বাক্ষর রেখে শান্ত ও ধীরস্থিরভাবে সুবিবেচিত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফাইটটি নিরাপদে অবতরণ করান। ওই ফাইটে ১৪৯ যাত্রী ও সাতজন ক্রু ছিলেন, তারা সবাই সুস্থ ও নিরাপদেই বের হয়ে আসেন।
ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইয়ুম ১৯৭৭ সালের ১৭ অক্টোবর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০০২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে পাইলট হিসেবে যোগ দেন। এ পর্যন্ত মোট ৮ হাজার ৭০০ ঘণ্টা বিমান চালিয়েছেন।