শনিবার রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের নব নির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান মেনন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিমানযাত্রা নিয়ে যে ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতে নির্দেশনা এসেছে বিমানকে বিশেষ নজরদারিতে আনতে। বিমানকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আবেগ প্রবল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্ট বলেছেন, ‘বিমানকে ভালোভাবে তদারকি করতে, যদি না দেখতে পারেন, আমাকেই (প্রধানমন্ত্রী) ব্যবস্থা নিতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিমানকে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করতে মন্ত্রণালয় থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। যা শিগগিরই কাজ শুরু করবে বলে জানান রাশেদ খান মেনন।
তিনি আরও বলেন, বিমান বাংলাদেশের পতাকাবাহী এয়ারলাইন্স। বিমানের গৌরব আছে, গর্ব আছে। মুক্তিযুদ্ধে বিমানের পাইলট ও অফিসাররা অংশ নিয়েছেন এবং জীবন দিয়েছেন। আসুন আমরা সবাই মিলে বিমানকে নিয়ে গর্ব করার মতো দায়িত্ববান হই। সময়ের ব্যবধানে বিমান সম্পর্কে মানুষের যে পারসেপশন তৈরি হয়েছে, সেটি সুখকর নয়।
বিমান একটি লিমিটেড কোম্পানি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রী হিসেবে আমার কোনো দায়িত্ব নেই। কিন্তু জাতীয় সংসদের ভেতরে ও বাইরে অভিযোগের জবাব আমাকে দিতে হয়। অনেকের ভুলের দায় আমাকে বহন করতে হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব এস এম গোলাম ফারুক, বিমানের পরিচালনা পর্ষদ চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) মোহাম্মদ ইনামুল বারী, বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এম এ মোসাদ্দিক আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।