২০১৮ সালে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি ১৫ শতাংশ

২০১৮ সালে রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি ১৫ শতাংশ।

বিদায়ী ২০১৮ সালে দেশে এক হাজার ৫৫৩ কোটি ৭৬ লাখ ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এর আগের বছরের তুলনায় এই অঙ্ক ১৪ দশমিক ৮৬ শতাংশ বেশি। এর আগে ২০১৭ সালে রেমিট্যান্স এসেছিল এক হাজার ৩৫২ কোটি ৬৮ লাখ ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যমতে, সদ্য বিদায়ী ডিসেম্বর মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১২০ কোটি ২০ লাখ ডলার। এর আগের মাস নভেম্বরে এসেছিল ১১৭ কোটি ৮২ লাখ ডলার। সে হিসেবে ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স বেড়েছে দুই শতাংশ। তবে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের তুলনায় তা বেড়েছে তিন দশমিক ২৮ শতাংশ। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১১৬ কোটি ৩৮ লাখ ডলার।
অর্থবছরের হিসাবে রেমিট্যান্স বেড়েছে আট শতাংশ। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) রেমিট্যান্স এসেছে ৭৪৮ কোটি ৮২ লাখ ডলার। এর আগের অর্থবছরের (২০১৭-১৮) প্রথম ছয় মাসে এসেছিল ৬৯৩ কোটি ২৩ লাখ ডলার।
২০০৮ সালের ডিসেম্বরে নির্বাচনে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার। ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০ বছরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩ হাজার ৪৭৮ কোটি ডলার, যা এর আগের ১০ বছরের তুলনায় তিনগুণেরও বেশি। ১৯৯৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০০৮-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল চার হাজার ৭০ কোটি ডলার।
২০০৯ সালে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল এক হাজার ৭১ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। ২০১০ সালে আসে এক হাজার ১০০ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। ২০১১তে এক হাজার ২১৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার, ২০১২তে এক হাজার ৪১৬ কোটি ৩৯ লাখ ডলার, ২০১৩তে এক হাজার ৩৮৩ কোটি ২১ লাখ ডলার, ২০১৪তে এক হাজার ৪৯৪ কোটি ২৫ লাখ ডলার, ২০১৫তে এক হাজার ৫২৭ কোটি ৯ লাখ ডলার, ২০১৬তে এক হাজার ৩৬০ কোটি ৯৭ লাখ ডলার, ২০১৭তে এক হাজার ৩৫২ কোটি ৬৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। সর্বশেষ ২০১৮ সালে রেমিট্যান্স আসে এক হাজার ৫৫৩ কোটি ৭৬ লাখ ডলার।
এছাড়া ১৯৯৯ সালে ১৮০ কোটি ৬৬ লাখ ডলার, ২০০০ সালে ১৯৫ কোটি ৪৯ লাখ ডলার, ২০০১ সালে ২০৭ কোটি ১০ লাখ ডলার, ২০০২ সালে ২৮৪ কোটি ৭৭ লাখ ডলার, ২০০৩-এ ৩১৭ কোটি ৭৬ লাখ ডলার, ২০০৪-এ ৩৫৬ কোটি ৫৩ লাখ ডলার, ২০০৫-এ ৪২৪ কোটি ৯৮ লাখ ডলার, ২০০৬-এ ৫৪৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার, ২০০৭-এ ৬৫৬ কোটি ২৭ লাখ ডলার, ২০০৮ সালে ৮৯৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছিল।

Comments (0)
Add Comment