তা তো বলা যাবে না! তবে এটা বলতে পারি, ছবিতে আমাকে দ্বৈত চরিত্রে দেখা যাবে। একটি চরিত্র পুলিশ অফিসারের, অন্যটি চোরের। বেশ চ্যালেঞ্জ ছিল দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করা। দুই চরিত্রের অভিব্যক্তি দুই রকম। তাই শুটিং লোকেশনে পোশাক-আশাক থেকে শুরু করে লুকেও পরিবর্তন আনতে হয়েছে। ফলে কাজটির জন্য সময় লেগেছে।
শুনেছি, ছবিতে বেশ মারদাঙ্গা চরিত্র আপনার। মারপিট আয়ত্তে আনলেন কীভাবে?
এটি একেবারে নতুন অভিজ্ঞতা। ছবির শুটিং শুরুর আগে ফাইট ডিরেক্টর জুম্মুন ভাইয়ের কাছে প্রায় এক মাস মারপিটের অনুশীলন করেছি। শুটিংয়ের ফাঁকে ফাঁকেও অনুশীলন করতে হয়েছে।
ছবিটি নিয়ে কেমন প্রচারণা চালাচ্ছেন?
আমরা একে একে ঢাকার সনি, জোনাকী প্রেক্ষাগৃহসহ বেশ কয়েকটি প্রেক্ষাগৃহে যাব। এ ছাড়া ঢাকার বাইরেও বেশ কয়েকটি জেলায় সফর করব এ সপ্তাহে।
দর্শক কেন আপনার ‘অ্যাকশন জেসমিন’ দেখবে?
বাণিজ্যিক ছবির ক্ষেত্রে যে ধরনের বিনোদন থাকা দরকার, সবই আছে এ ছবিতে। গল্প ভালো। অ্যাকশন, কমেডি, ড্রামা—সবই আছে। ছবির গানও ভালো। দর্শকেরা ছবিটি দেখে হতাশ হবে না বলেই আমার বিশ্বাস।
আপনার প্রথম প্রযোজনা ‘রক্ষা’ ছবির শুটিং তো এ মাসেই শুরু হওয়ার কথা…
কথা ছিল, কিন্তু একটু পিছিয়েছে। দুজন নতুন নায়ক নিয়ে কাজটি করার কথা ছিল। তবে এখন একজনকে পরিবর্তন করে জনপ্রিয় একজন নায়ক নিয়ে কাজটি করার নতুন সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফলে আরেকটু সময় নিচ্ছি।