প্রচার নিয়ে ব্যস্ত?
হ্যাঁ। বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে যাচ্ছি। পাশাপাশি ইউটার্ন নিয়ে কথা বলছি বিভিন্ন স্যাটেলাইট চ্যানেল ও পত্রিকায়। এরই মধ্যে সনি, এশিয়া, বলাকা, ব্লকবাস্টার সিনেমাসসহ আরও কয়েকটি প্রেক্ষাগৃহে গিয়েছি। এ ছাড়া আজ রাজধানীর বাইরে চম্পাকলী ও আনারকলি প্রেক্ষাগৃহে যাওয়ার কথা আছে।
ছবিতে আপনার চরিত্রটি কেমন?
ছবিতে আমার চরিত্রের নাম আনুশকা। চরিত্রের মধ্যে একটা ‘টুইস্ট’ আছে। প্রথম দিকে দর্শকেরা চরিত্রটিকে বুঝতে পারবেন না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই ‘আনুশকা’র মধ্যে দর্শক মজা খুঁজে পাবেন।
আপনার প্রথম ছবি ‘ভালোবাসা জিন্দাবাদ’ মুক্তি পায় ২০১৩ সালে। এরপর ‘ইউটার্ন’। এই দীর্ঘ বিরতি কেন?
প্রথম ছবি মুক্তির পর থেকে আমি কিন্তু স্বাভাবিক নিয়মেই কাজ করে আসছি। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি ছবির কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু ছবিগুলো এখনো মুক্তি পায়নি। ছবি মুক্তির বিষয় তো আর আমার হাতে থাকে না। এটি ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করে।
আপনার কাছে কি মনে হয় না, চলচ্চিত্র ব্যবসায় মন্দার কারণে ছবি মুক্তির এই বিলম্ব?
তা হতেই পারে। কেননা, কোটি টাকা বিনিয়োগ করে কেউ তো আর লোকসান দিতে চাইবে না। এটা ঠিক যে একটা লম্বা সময় ধরে দেশ রাজনৈতিকভাবে অস্থিতিশীল ছিল। এর প্রভাব দেশের চলচ্চিত্র ব্যবসার ওপরও পড়েছে।
এখন কোন কোন ছবি মুক্তির অপেক্ষায় আছে?
সাইফ চন্দনের দুটি ছবি ছেলেটি আবোল তাবোল মেয়েটি পাগল পাগল ও টার্গেট, গাজীউর রহমানের এই তুমি সেই তুমি। এ ছাড়া এস এ হক অলিকের এক পৃথিবী প্রেম ও সুস্ময় সুমনের তোকে হেব্বি লাগছে ছবির কাজ প্রায় শেষের পথে।