ক্যাথরিন মাসুদ l ছবি: কবির হোসেনএবারের আয়োজন নিয়ে বলুন…
এবারের উৎসবে প্রথম দিন ‘তারেক মাসুদ স্মারক বক্তৃতা’র আয়োজন করা হয়েছে। বক্তৃতার বিষয় ‘হলিউডের প্রাচ্য দর্শন’। বক্তা আমার ও তারেকের অনেক কাছের বন্ধু কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক বীরেন দাশ শর্মা।
প্রতিবছর এই উৎসবে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এবারও কি তা হচ্ছে?
হ্যাঁ, এ বছরও এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এবারের বিষয় ছিল ‘ন্যায়বিচার আমার অধিকার’। সারা দেশ থেকে ১৬-২৫ বছর বয়সী নির্মাতারা এতে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্য থেকে সেরা ১০টি ছবি নির্বাচিত করা হয়েছে। উৎসবের দ্বিতীয় দিন, ১৩ মার্চ সন্ধ্যা ছয়টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রগুলো প্রদর্শিত হবে। সেরা নির্মাতাকে দেওয়া হবে ‘তারেক মাসুদ ইয়াং ফিল্মমেকার পুরস্কার’। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রথম ছয়জনের মধ্যে তিনজন পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট ও অন্য তিনজন মুভিয়ানা ফিল্ম সোসাইটি আয়োজিত চলচ্চিত্রবিষয়ক কর্মশালার শিক্ষাবৃত্তি পাবেন।
এই উৎসব নিয়ে সামনে আর কোনো পরিকল্পনা আছে?
তারেক মাসুদের চলচ্চিত্র–ভাবনা ছিল তরুণদের ঘিরেই। তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে কাজ করতে ভালোবাসতেন তিনি। আমি মনে করি, আজকে যাঁরা নতুন, একদিন তাঁরাই বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের হাল ধরবেন। আর এ জন্যই তরুণ নির্মাতাদের চলচ্চিত্র নির্মাণে উৎসাহিত করতে তিন বছর ধরে ‘তারেক মাসুদ উৎসব’ আয়োজন করা হচ্ছে। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নিয়ে তারেকের যে ভাবনা ছিল, তা যেন এই তরুণদের হাত ধরে পূরণ হতে পারে—সেই উদ্দেশ্য নিয়েই আমরা কাজ করছি।