সোমবার (২ মার্চ) রাতে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে, আগামী ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস থেকেই বছরব্যাপী স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে, বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সূত্রে।
২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে সুবর্ণজয়ন্তীর বছরব্যাপী কর্মসূচি শুরু করবে দলটি। শেষ হবে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ।
ধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমরা ২৬ মার্চ থেকে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর কর্মসূচি শুরু করবো। ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত চলবে। তবে আজকের বৈঠকে সুবর্ণজয়ন্তীর প্রোগ্রাম ফাইনাল করার জন্য বসলেও তা চূড়ান্ত হয়নি।’সুবর্ণজয়ন্তীতে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্রে যাওয়ার বিষয়ে মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘এই বিষয়ে এখনও কোনও আলোচনা হয়নি।’
খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপ উপলক্ষে একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় কমিটি করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সেই কমিটিতে বিএনপির নেতাদের পাশাপাশি বিএনপিরপন্থী বুদ্ধিজীবী ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষদের রাখা হবে। আগামী বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির বৈঠকে, এই কমিটি চূড়ান্ত করা হবে। এরপর সুবর্ণজয়ন্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন ।