*স্ট্রেট বল
প্রিয় মানুষ?
আমার আম্মু (সাহানা আফরোজ)।
রাস্তার পাশের পছন্দের খাবার?
ফুচকা।
ক্যামেরার সামনে প্রথম দিন?
‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতায়। সময়টা ছিল ২০১৪ সালের জুন মাস।
ছোটবেলায় ইচ্ছা ছিল?
বড় হয়ে প্রকৌশলী হব।
*গুগলি
একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি দেখতাম?
আমি আবার ছোট হয়ে গেছি।
যাকে সবচেয়ে বেশি বিরক্ত করি?
আম্মুকে।
যে কথাটা দিনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বলি?
খাব না। তাই বলে ভাববেন না আমি ডায়েট করছি। আমি কিন্তু অনেক খাই।
জাদুর পাটি, আশ্চর্য প্রদীপ কিংবা একটা জাদুর কাঠি—সুযোগ থাকলে যেটা বেছে নিতাম?
জাদুর কাঠি। আর তা দিয়ে ঘড়ির কাঁটা আমার পছন্দের সময়ে থামিয়ে রাখতাম।
*বাউন্সার
আমার মুদ্রাদোষ?
হুট করে রেগে যাই।
পুরোনো দিনের নায়কদের মধ্যে যাঁকে জীবনের নায়ক হিসেবে পেলে মন্দ হতো না?
আমি ছোটবেলায় যাঁদের চলচ্চিত্রের নায়ক হিসেবে দেখেছি, এখনো তাঁরা নায়ক। তবে যেভাবে বলছেন, সেভাবে কখনো ভাবিনি।
আমার পাওয়া সবচেয়ে বিচিত্র প্রেমের প্রস্তাব?
বলব কেন?
একাধিকবার দেখা সিনেমা?
হোম অ্যালোন আর বেবি’স ডে আউট। এই দুটি ছবি কতবার যে দেখেছি, তার কোনো হিসাব নেই।
*ফুল টস
যে কাজটা বারবার করলেও ক্লান্তি লাগে না?
আড্ডা।
সারা রাত গল্প করার মতো বন্ধু?
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই বন্ধু পরিবর্তন হয়। তবে এখন শেফার সঙ্গে গল্প করতে দারুণ লাগে।
সবচেয়ে আনন্দের দিন?
২০১৪ সালের ৭ নভেম্বর। ওই দিন ‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালে হয়েছিল।
শ্রেষ্ঠ উপহার?
আমার মা-বাবা।
*পাওয়ার প্লে
প্রথম যেদিন নিজেকে তারকা মনে হলো?
‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালের পরদিন। আমি চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। বিভিন্ন পত্রিকা আর টিভি চ্যানেলের সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকার দিচ্ছি। আরও অনেকে অপেক্ষা করছেন।
টিভিতে যেদিন আমাকে প্রথম দেখা গেল?
ডায়েরিতে লিখে রেখেছি। ‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতার সময়। সম্ভবত ২০১৪ সালের জুলাই মাস ছিল।
নিজের সম্পর্কে শোনা সবচেয়ে বেশি ভুল অভিযোগ?
আমার নাকি ‘ভাব’ বেশি।
প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়ার পর যা মনে হয়েছিল?
অদ্ভুত এক অনুভূতি! এক মুহূর্তে সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়ে যাই!