শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মইনুল খান বলেন, আজ সকালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে করে সোনার চালান আসার খবর পাওয়া যায়। এসব সোনা বিমানবন্দরের কোথাও লুকিয়ে রাখা হয়েছে—জানতে পেরে তল্লাশি চালানো হয়। পরে কাস্টম হলে এক নম্বর বেল্টের পাশে একটি শৌচাগারের কমোডের ভেতর থেকে সোনার বারগুলো উদ্ধার করা হয়। স্কচটেপ দিয়ে পেঁচিয়ে তিনটি কনডমের ভেতর ২০টি সোনার বার রাখা ছিল। প্রতিটি বারের ওজন ১০০ গ্রাম। পাচারের সঙ্গে জড়িত কাউকে আটক করা যায়নি। জব্দ হওয়া সোনার আনুমানিক মূল্য এক কোটি টাকা।