২০২০ সালের প্রথম প্রান্তিকে এয়ার ফ্রান্স-কেএলএমের ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১৮০ কোটি ইউরো। বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানায় ফরাসি-ডাচ বিমান পরিবহন সংস্থাটি। এয়ার ফ্রান্সের মতে, মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে বৈশ্বিক ভ্রমণের ওপর যে প্রভাব পড়েছে, তাতে সামনে ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়বে। এমনকি যাত্রী চাহিদা ভাইরাস সংকটের পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যেতে লেগে যাবে বেশ কয়েক বছর।
এক বিবৃতিতে বিমান পরিবহন সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী বেনজামিন স্মিথের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, তারা পরিস্থিতি সামাল দিতে নতুন একটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন। এ পরিকল্পনার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত। মূলত তৃতীয় প্রান্তিকের ১৮০ কোটি ইউরোর ক্ষতি সংস্থাটিকে অকল্পনীয় সংকটের মুখে ফেলেছে। ২০১৯ সালে প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় এ ক্ষতির পরিমাণ পাঁচ গুণেরও বেশি। গত বছরের প্রথম প্রন্তিকে এয়ারলাইনটির ক্ষতি হয়েছিল ৩২ কোটি ৪০ লাখ ইউরো।
চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের এ ক্ষতির মূলে রয়েছে ভাইরাসের সংক্রমণ। বিশেষ করে মার্চে নভেল করোনাভাইরাসের আঘাতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে ফ্রান্স। ১৭ মার্চ থেকে দেশব্যাপী লকডাউনের ঘোষণা দেয় ফরাসি সরকার। এ অবস্থায় দ্বিতীয় প্রান্তিকে বিমান পরিবহন সংস্থাটিকে আরো গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। কারণ এরই মধ্যে তাদের অধিকাংশ উড়োজাহাজ গ্রাউন্ডেড অবস্থায় রয়েছে, স্থবির হয়ে আছে বৈশ্বিক বিমান পরিবহন।