নিজেদের লাভজনক প্রতিষ্ঠান দাবি করলেও দেনার দায়ে জর্জরিত ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স’। গত মাসে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা মওকুফের জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে বিমান কর্তৃপক্ষ।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কাছে পাওনা ৩ হাজার ৪৪৯ কোটি টাকা মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিমান কর্তৃপক্ষের এক আবেদনের প্রেক্ষিতে এ টাকা মওকুফ করা হচ্ছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে (বেবিচক) দেওয়া এক চিঠিতে সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।
বেবিচকের কাছে মোট পাওনা ৪ হাজার ৭৪৪ কোটি টাকা। অ্যারোনটিক্যাল ও নন-অ্যারোনটিক্যাল চার্জ ও ভ্যাট দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া রাখায় সারচার্জ যুক্ত হয়ে এই বিশাল অংকের টাকা পাওনা জমে যায়। এর মধ্যে ৩ হাজার ৪৪৯ কোটি ১৪ লাখ টাকা মওকুফ করতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ আব্দুল আউয়ালের স্বাক্ষর করা চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। মন্ত্রণালয় ও বিমানের দায়িত্বশীল একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
চলতি বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর বিমানের এমডি মো. যাহিদ হোসেন সারচার্জ মওকুফ চেয়ে মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন করেন। এর আগে ২০০৭ সালে বেবিচকের আরোপিত এক হাজার ২১৬ কোটি টাকা মওকুফ করিয়ে নিয়েছিল বিমান।