বিমানে উঠলেই শোনা যাবে বিশেষ সুর, নতুন উদ্যোগ ইউএস-বাংলার

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স যাত্রীদের ভ্রমণ অভিজ্ঞতাকে আরও আনন্দদায়ক ও স্মরণীয় করে তুলতে নতুন অনবোর্ডিং মিউজিক চালু করেছে

দেশের অন্যতম শীর্ষ বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স যাত্রীদের ভ্রমণ অভিজ্ঞতাকে আরও আনন্দদায়ক ও স্মরণীয় করে তুলতে নতুন অনবোর্ডিং মিউজিক চালু করেছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে বিমানে ওঠার মুহূর্ত থেকেই যাত্রীরা একটি ভিন্নধর্মী পরিবেশের অনুভূতি পাবেন বলে আশা করছে সংস্থাটি।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, ভ্রমণের শুরু থেকেই যাত্রীদের স্বাগত জানানো এবং তাদের মধ্যে স্বাচ্ছন্দ্য ও আন্তরিকতার অনুভূতি তৈরি করাই এই নতুন সংগীত চালুর মূল উদ্দেশ্য। বিমান ভ্রমণকে কেবল এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা হিসেবে উপস্থাপন করতে চায় এয়ারলাইন্সটি।

নতুন এই অনবোর্ডিং মিউজিকের সুরকার ও সংগীত নির্মাতা বাংলাদেশের জনপ্রিয় রক ব্যান্ড ওয়ারফেইসের প্রধান কণ্ঠশিল্পী পলাশ নূর। ২২টি বাদ্যযন্ত্রের সমন্বয়ে তৈরি এই সংগীতে দেশীয় সংস্কৃতি, আধুনিক সুর ও আন্তর্জাতিক মানের সংগীতায়োজনের সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও আতিথেয়তার বার্তা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

ইউএস-বাংলার মতে, বর্তমান সময়ে বিশ্বজুড়ে অনেক এয়ারলাইন্স যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে বিভিন্ন সৃজনশীল উদ্যোগ গ্রহণ করছে। সেই ধারাবাহিকতায় যাত্রীদের জন্য একটি স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করতে এবং ভ্রমণ অভিজ্ঞতায় নতুন মাত্রা যোগ করতেই এই সংগীত চালু করা হয়েছে। বিমানে প্রবেশের পর থেকেই সংগীতটি যাত্রীদের স্বাগত জানাবে এবং পুরো পরিবেশকে আরও উষ্ণ ও প্রাণবন্ত করে তুলবে।

এয়ারলাইন্সটি আরও জানায়, যাত্রীদের সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য কেবল নিরাপদ ও সময়নিষ্ঠ ফ্লাইট পরিচালনাই যথেষ্ট নয়। বিমানবন্দরে সেবা গ্রহণ থেকে শুরু করে বোর্ডিং, কেবিন পরিবেশ, ক্রুদের আতিথেয়তা এবং উড্ডয়নের সামগ্রিক অভিজ্ঞতা—সবকিছুই একটি সফল যাত্রার অংশ। নতুন অনবোর্ডিং মিউজিক সেই অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করার একটি প্রচেষ্টা।

সম্প্রতি ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স দেশীয় ও আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের পাশাপাশি সেবার মান উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নতুন এই সংগীত উদ্যোগকে সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংস্থাটি বিশ্বাস করে, সংগীত মানুষের আবেগ ও অনুভূতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক তৈরি করতে সক্ষম। তাই বিমানে ওঠার প্রথম মুহূর্ত থেকেই যাত্রীদের মনে ইতিবাচক অনুভূতি সৃষ্টি করতে এই বিশেষ সংগীত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন অনবোর্ডিং মিউজিক চালু করা তাদের ব্র্যান্ড পরিচিতি আরও শক্তিশালী করবে এবং যাত্রীকেন্দ্রিক আধুনিক এয়ারলাইন্স হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করতে সহায়তা করবে।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.

EN