পর্যটন খাতকে চাঙ্গা করতে, বিমানের ভাড়া অর্ধেক

বিভিন্ন দেশের সরকার অভ্যন্তরীণ পর্যটন খাতকে চাঙ্গা করতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। পিছিয়ে নেই অস্ট্রেলিয়াও।

অস্ট্রেলিয়ার সরকার পর্যটকদের জন্য সুখবর নিয়ে এলো। পর্যটন খাতকে চাঙ্গা করতে বিমান ভাড়া অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে দেশটির সরকার। অস্ট্রেলিয়ার অভ্যন্তরীণ পর্যটনকে চাঙ্গা করতে অর্ধেক মূল্যে বিক্রি হচ্ছে অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলকারী বিমানের টিকিট।

মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় পর্যটনকে চাঙ্গা করতে ৯৩ কোটি ডলারের প্রণোদনা হাতে নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সরকার। গেলো বছরে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আর সীমান্তে কড়াকড়ির কারণে সবচেয়ে বেশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে দেশটির পর্যটন খাত।

প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন জানান, সুলভ মূল্যে এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত অন্তত ৮ লাখ প্যাকেজের ব্যবস্থা করা হবে। যদি পর্যটন খাতের সাথে সংশ্লিষ্টদের চাকরির নিশ্চয়তা দিতে হয়, দেশের পর্যটন খাতকে সচল রাখতে হবে।

যেসব পর্যটন স্থানে যেতে অর্ধেক বিমান ভাড়া লাগবে, সে স্থানগুলো হলো অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড, নর্দান টেরিটোরি, তাসমানিয়া, ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া, নিউ সাউথ ওয়েলস, ভিক্টোরিয়া, সাউথ অস্ট্রেলিয়া। দেশটির পর্যটন খাতের বেশিরভাগই বিদেশি পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল। এদিকে, বেকারদের জন্য সরকারি প্রণোদনাও শেষ হয়ে যাচ্ছে মার্চে। সেক্ষেত্রে কর্মীদের সুরক্ষায় দেশের পর্যটন খাতকে স্থিতিশীল করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

কিন্তু শ্রমিকরা বলছেন, প্রণোদনা শুধু এয়ারলাইন্সগুলোই ভোগ করেছে, সরাসরি পর্যটন খাত বা হোটেল মোটেলের জন্য কোনো তহবিল দেয়া হয়নি।

গেল মাসে অস্ট্রেলিয়ায় টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এক বছর ধরে অন্য দেশের নাগরিকদের অস্ট্রেলিয়া প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আছে। নতুন এই স্কিমকে স্বাগত জানিয়েছে এয়ারলাইন্সগুলো আর পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধান পর্যটন আকর্ষণের স্থানগুলো হলো সিডনি অপেরা হাউজ আর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ।

আরও খবর
Loading...