বিভিন্ন প্রতিকূলতা পেরিয়ে গত ছয় বছর যাবৎ ঢাকা-বরিশাল আকাশপথ জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও দেখা দিয়েছে নানান জটিলতা।
তলানিতে থাকা বরিশাল বিমানবন্দরের সেবার মানের পাশাপাশি বর্তমানে দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
১৯৮৫ সালে এ বিমানবন্দরটি নির্মিত হলেও ১০ বছর পর সর্বপ্রথম এরোবেংগল এয়ারলাইনসের বিমান ডানা মেলে।
এরপর যাত্রী চাপ থাকলেও নানান জটিলতায় একাধিকবার অচল করে রাখা হয় এ বিমানবন্দরটি।
দীর্ঘ জটিলতা কাটিয়ে ২০১৫ সালে এ বিমানবন্দরে সরকারি বিমান বাংলাদেশের পাশাপাশি বেসরকারি ইউএসবাংলা ও নভোএয়ার প্রতিদিন সার্ভিস চালু করে। বর্তমানে ইউএসবাংলা সকাল-বিকাল উভয় প্রান্ত থেকে দুটি এবং বিমান বাংলাদেশ ও নভোএয়ার একটি করে উড়োজাহাজ সার্ভিসে রেখেছে।
তবে সেবার মান নিয়ে দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্ন।
একাধিক যাত্রী সেবার মান ও কর্মরতদের উদাসীনতার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
এরই মধ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নে নির্মিত বিমানবন্দর এলাকা নদীভাঙন কবলিত হওয়াসহ বাউন্ডারি ওয়াল, রানওয়ে ও টার্মিনাল বিল্ডিং মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় ঝুঁকি দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়টি উল্লেখ করে বরিশাল জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
অতি সম্প্রতি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বরিশাল বিমানবন্দরের নানান সমস্যা তুলে ধরা হয়।