ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার এবং জর্ডান তাদের আকাশপথ (Airspace) নিরাপত্তার স্বার্থে বন্ধ করে দেওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী এবং মধ্যপ্রাচ্য হয়ে ইউরোপ-আমেরিকা যাওয়ার রুটগুলো মূলত এই দেশগুলোর ওপর দিয়েই পরিচালিত হয়। আকাশপথ বন্ধ থাকায় ফ্লাইটগুলো গন্তব্যে পৌঁছানোর বিকল্প পথ খুঁজে পাচ্ছে না।
বেবিচকের (CAAB) জনসংযোগ কর্মকর্তা কাওছার মাহমুদ জানিয়েছেন যে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে গতকাল সোমবার দুপুর পর্যন্ত মোট ৮৫৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় অর্থাৎ সোমবার দুপুর পর্যন্ত নতুন করে আরও ১৮টি ফ্লাইট বাতিলের তালিকায় যুক্ত হয়েছে।
ফ্লাইট বাতিলের এই ধারাবাহিকতা এখনো থামেনি। প্রতিদিন শত শত যাত্রী বিমানবন্দরে এসে ফিরে যাচ্ছেন অথবা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন। বিশেষ করে প্রবাসী শ্রমিক এবং ওমরাহ যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। এয়ারলাইন্সগুলো নিয়মিতভাবে শিডিউল পরিবর্তন করছে, যা যাত্রীদের জন্য চরম অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
বেবিচক সূত্র জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংশ্লিষ্ট দেশগুলো তাদের আকাশসীমা পুনরায় পুরোপুরি উন্মুক্ত না করা পর্যন্ত ফ্লাইটের এই শিডিউল বিপর্যয় স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা কম। পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে এবং বিকল্প রুট ব্যবহারের সম্ভাবনাগুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
