রুট বদলে বিপাকে আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস, বাড়ছে খরচ ও সময়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে আকাশপথের চিত্রটা পুরোপুরি বদলে গেছে।
২০২৬ সালের মার্চ মাসের শেষ দিক থেকে ইরান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের বিশাল আকাশসীমা বন্ধ বা সীমিত করে দেওয়ায় আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনসগুলো চরম বিপাকে পড়েছে।
এই পরিস্থিতির মূল কিছু প্রভাব নিচে দেওয়া হলো:
  • বিপাকে দীর্ঘপাল্লার ফ্লাইট: ইউরোপের সাথে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগকারী সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর আকাশপথগুলো এখন এই সংঘাতপূর্ণ এলাকার ওপর দিয়ে গেছে। ফলে এই পথগুলো বন্ধ হওয়ায় এয়ারলাইনসগুলোকে এখন বাধ্য হয়ে অনেকটা পথ ঘুরে মধ্য এশিয়া বা ভারত মহাসাগর দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
  • সময় ও খরচ বৃদ্ধি: আকাশপথ পরিবর্তনের কারণে প্রতিটি ফ্লাইটে কয়েক ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় লাগছে। এতে জ্বালানি খরচ যেমন বাড়ছে, তেমনি এয়ারলাইনসগুলোর অপারেশনাল খরচও আকাশচুম্বী হচ্ছে।
  • বিমানবন্দর স্থবিরতা: ইরানের তেহরানের ইমাম খোমেনী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ ওই অঞ্চলের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে বাণিজ্যিক ফ্লাইট পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য বড় এয়ারপোর্টগুলোতেও ফ্লাইটের সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমিয়ে ফেলা হয়েছে।
  • বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব: সংকটের আগে এই অঞ্চলের বিমানবন্দরগুলো বিশ্বের মোট বিমান চলাচলের প্রায় ১৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করত। ফলে এই অচলাবস্থা কেবল মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, পুরো বিশ্বের বিমান যোগাযোগ ও ব্যবসায়িক সূচিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এক কথায়, যুদ্ধের কারণে আকাশের চেনা পথগুলো এখন বন্ধ, যার মাশুল দিতে হচ্ছে বিশ্বজুড়ে ভ্রমণকারী এবং বিমান সংস্থাগুলোকে।
আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.