বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকটের মূলে রয়েছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালী’।
সাবেক এয়ারলাইন ক্যাপ্টেন এবং বিমান চলাচল বিশেষজ্ঞ এমা হেন্ডারসন (এমবিই) এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছেন, পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হলে পুরো বিমান শিল্পে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, “জ্বালানির মজুদ ফুরিয়ে আসছে।
ইতিমধ্যেই ইউরোপের বেশ কিছু বিমানবন্দরে জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। যুক্তরাজ্যের জন্য উদ্বেগের বিষয় হলো, মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা জ্বালানির শেষ চালানটি খুব শীঘ্রই পৌঁছানোর কথা, যার পর নতুন কোনো চালানের নিশ্চয়তা নেই।
১. ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্ব: জ্বালানি সাশ্রয় করতে অনেক সংস্থা নিয়মিত ফ্লাইটের সংখ্যা কমিয়ে আনতে পারে।
২. টিকিটের দাম বৃদ্ধি: তেলের চড়া দামের কারণে টিকিটের মূল্য সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যেতে পারে।
৩. গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণে বাধা: যারা আগে থেকেই ছুটির পরিকল্পনা করে রেখেছেন, তাদের পুরো সূচি ওলটপালট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
