পর্যটন মেলায় বিমানভাড়ায় ছাড় ইউএস-বাংলার

বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ)-২০২৬ উপলক্ষে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটের টিকিটে বিশেষ ছাড় দিচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।

বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ)-২০২৬ উপলক্ষে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটের টিকিটে বিশেষ ছাড় দিচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। তিন দিনব্যাপী এ পর্যটন মেলায় অভ্যন্তরীণ রুটে টিকিট কিনলে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ এবং আন্তর্জাতিক রুটে ১২ শতাংশ পর্যন্ত ভাড়া ছাড় পাবেন যাত্রীরা।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে ১৪তম বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার। ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ মেলা চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত। এতে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে অংশ নিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।

এয়ারলাইন্সটির জেনারেল ম্যানেজার মো. কামরুল ইসলাম জানান, মেলা থেকে অভ্যন্তরীণ সব রুটের টিকিট কিনলে ১৫ শতাংশ এবং আন্তর্জাতিক রুটের টিকিটে ১২ শতাংশ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। পর্যটন খাতের প্রসার এবং ভ্রমণকারীদের উৎসাহিত করতেই এ বিশেষ অফারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ছাড় পর্যটক ও ভ্রমণপ্রত্যাশীদের কাছে আকর্ষণীয় হবে। একই সঙ্গে মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে দর্শনার্থীরা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের কার্যক্রম ও অগ্রযাত্রা সম্পর্কে জানতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার মেলার উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও টেকসই গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ। প্রধান বক্তা ছিলেন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী। এ ছাড়া পাকিস্তান, ভুটান ও নেপালের রাষ্ট্রদূতসহ পর্যটন খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের মেলায় ২০টির বেশি দেশের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটন সংস্থা এবং পর্যটনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। রয়েছে ২০০টির বেশি বুথ ও প্রদর্শনীকেন্দ্র এবং ২২০টির বেশি প্রদর্শক। আয়োজকদের প্রত্যাশা, মেলায় ২৫০ জনের বেশি সম্ভাবনাময় ব্যবসায়ী ক্রেতা, আড়াই হাজারের বেশি বাণিজ্যিক দর্শনার্থী এবং ৬০ হাজারের বেশি সাধারণ দর্শনার্থীর সমাগম হবে।

মেলার চারটি বিষয়ভিত্তিক প্রদর্শনী হলে বিমান সংস্থা, হোটেল ও ট্যুর অপারেটরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নিজেদের পণ্য ও সেবা তুলে ধরছে। আয়োজকদের আশা, এ আয়োজনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়বে, বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হবে এবং বাংলাদেশের পর্যটন খাতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.