আগামিকাল (সোমবার) থেকেই ভারতে চালু হবে বাণিজ্যিক বিমান পরিষেবা। প্রথম দিনই ভারতের আকাশে উড়বে এক হাজারের বেশি বিমান। কিন্তু কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে বাংলা-সহ তিনটি বড় রাজ্য।
মহারাষ্ট্রে এখনও পুরোপুরি জারি আছে লকডাউন। সে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখ জানিয়েছেন, রেড জোনে এভাবে বিমান পরিষেবা চালু করা বোকামি। শুধু থার্মাল স্ক্রিনিং করে যাত্রীদের রাজ্যে ঢোকানো হলে সমস্যা আরও বাড়বে। তাছাড়া এই লকডাউনের মধ্যে বিমান পরিষেবা চালু হলেও বিমানবন্দরে এসে অটো, বাস এসবের অভাবে সমস্যায় পড়বেন যাত্রীরা। একই অবস্থান তামিলনাড়ু সরকারেরও। দেশে চতুর্থ দফার লকডাউনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩১ মে। তার আগে অভ্যন্তরীন বিমান পরিষেবা চালু না করার জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন করেছেন
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পালানিস্বামী। যে হারে দেশে সংক্রমণের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে বিমান পরিষেবা চালু হলে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন তিনি। এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও চাইছেন না এখনই বিমান পরিষেবা চালু করতে। তাছাড়া আমফানের জন্য এই মুহূর্তে বাংলার অবস্থা সঙ্গিন। তাই তিনিও বিমান চালানোর পরিকল্পনায় আপত্তি জানিয়েছেন। কিন্তু সেসব আপত্তি ধোপে টিকবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। সোমবার থেকেই পরিষেবা চালু করতে বদ্ধপরিকর অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক।
শুধু তাই নয়, ঘরোয়া বিমান চালুর পর দ্রুত আন্তর্জাতিক বিমান চালু করারও পরিকল্পনা করে ফেলেছে কেন্দ্র সরকার। অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী গতকাল এক ফেসবুক লাইভে জানিয়েছেন, যেসব প্রবাসী ভারতীয়রা লকডাউনের জন্য এদেশে এসে আটকে পড়েছেন তাঁদের দ্রুত ফেরাতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সরকার। করোনা আক্রান্তের সংখ্যা যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে তাহলে জুনের শেষে কিংবা জুলাইয়ের শুরুতেই আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা চালু হয়ে যাবে। জুনের মাঝামাঝিও চালু হয়ে যেতে পারে আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা।