৬১ বছর পর তাইওয়ান ভিত্তিক ‘চায়না এয়ারলাইন্স’ এর নাম পরিবর্তন করা হচ্ছে। এ বিষয়ে তাইওয়ানের পার্লামেন্টে একটি বিল পাস হয়েছে। গত ২২ জুলাই আলোচিত ওই বিল পাস হয়।
সংসদ অধিবেশনে তাইওয়ানের পরিবহন মন্ত্রণালয় বিমানের জন্য সংক্ষিপ্ত ও দীর্ঘ পরিকল্পনার পুনরায় ব্রান্ডিং করার আহ্বান জানিয়েছে।
বিল পাস হলেও এয়ারলাইনসের নাম কবে পরিবর্তন করা হবে সে সম্পর্কে কোনো কিছু নির্ধারণ করা হয়নি। পরবর্তীতে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
তাইওয়ানের রাজধানী তাইপে ভিত্তিক এয়ারলাইন চায়না এয়ারলাইন্সের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির পার্লামেন্ট। এর আগে এ বছরের শুরুতে তাইওয়ানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, তারা ওই নাম পরিবর্তনে উদার মনোভাব গ্রহণ করবে।
পার্লামেন্টের স্পিকার ইউ শাই কুন বলেন, বিদেশে তাইওয়ানের ‘চায়না এয়ারলাইন্স’ ভুল করে চীনের এয়ারলাইন্স হিসেবে আখ্যায়িত হয়।
সেক্ষেত্রে তাইওয়ানীদের ইমেজ রক্ষায় সরকারের পদক্ষেপ নেয়া উচিত। তবে এয়ারলাইন্সটির নাম পরিবর্তেন চীন ক্ষু্ব্ধ হতে পারে। বছরের পর বছর চায়না এয়ারলাইন্সের নাম পরিবর্তনের জন্য আলাপ- আলোচনা চলে আসছে তাইওয়ানে। কিন্তু তা আলোর মুখ দেখেনি।
খবরে বলা হচ্ছে, এই নাম পরিবর্তনে চীন সহজভাবে নেবে না। বিশেষ করে তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জটিল করে দেবে।
তাইওয়ানের রাজধানীর তাইপে ভিত্তিক এয়ারলাইন্স ‘চায়না এয়ারলাইন্স’। এটা তাইওয়ানের পতাকা বহন করে। কিন্তু এয়ারলাইন্সের নাম নিয়ে ব্যাপক সংশয় দিচ্ছে বহু বছর ধরে। ফলে বিষয়টি বিতর্কিত হয়ে পড়েছে। তাইওয়ান ও চীনের সম্পর্ক বিষয়ে যাদের অজানা তারাই মূলত সংশয়ের মধ্যে থাকেন। অনেকে মনে করে চায়না এয়ারলাইন্স চীনে অবস্থিত। কিন্তু এয়ারলাইন্সটি মূলত ভিন্ন পরিচয় বহন করে।
বিশেষ করে করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে বিষয়টি আরও চাউর হয়েছে। মহামারীতে প্রবাসীদের প্রত্যাবাসন ঘিরে কিছু সমস্যা তৈরি হয়।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিছু ব্যক্তির বক্তব্যে চায়না এয়ারলাইন্স চীনের হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
গত এপ্রিলে তাইওয়ানের পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় চায়না এয়ারলাইন্সের নাম পরিবর্তন নিয়ে সবাইকে খোলা মতামত ব্যক্ত করার আহ্বান জানায়। বলা হয়, শিগগির এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
সূত্র: এয়ারওয়েজ ম্যাগ, ওয়ানমাইলএটএটাইম