মহামারির মধ্যে বিমান ভ্রমণ নিরাপদ- এটা যাত্রীদের বোঝাতে পারছে না বিমান সংস্থাগুলো। তারা বলছে, মাস্কসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিমান ভ্রমণ বাইরের পরিবেশের চেয়ে নিরাপদ। কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। জরিপে ১০০০ জনের ৭০ ভাগ মানুষ বলছেন করোনার মধ্যে ভ্রমণ নিরাপদ নয়। সবেচে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিরা সুস্থ হওয়ার তাদের মধ্যে ভ্রমণ চাহিদা কমে গেছে। খবর এপির।
একটি জরিপ বলছে, বিমান ভ্রমণ আগের চেয়ে বেশি নিরাপদ করা গেলেও জনগণ এ বিষয়ে যথেষ্ট সংশয়ের মধ্যে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পর দেখা গেছে, গত মাসের চেয়ে যাত্রীদের টিকিট বুকিং কমে গেছে। কার্যক্রমে আগের মাসের চেয়ে ধীর গতি দেখা গেছে। বৈশ্বিকভাবে বিমান ভ্রমণ আগের বছরের চেয়ে ৮৫ শতাংশ কমে গেছে। বলা হচ্ছে, এয়ারলাইন্সের অবস্থা খুবই খারাপ। ইতোমধ্যে বড় বড় কয়েকটি কোম্পানি দেউলিয়া হওয়ার পথে। এ অবস্থা যদি চলমান থাকে তাহলে দেউলিয়া হওয়া কোম্পানির সংখ্যা আরও বেড়ে যাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের চারটি বড় এয়ারলাইন্স এপ্রিল থেকে জুন মাসে গড় ১০ বিলিয়ন ডলার লোকসান দিয়েছে। কোম্পানিগুলোর প্রধানরা বলছেন, তারা টিকে থাকবেন কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হবে। তবে সাউথওয়েস্ট এয়ারলাইন্সের সিইও গ্রে কেলি বলছেন, ভাইরাসের সংক্রমণ সর্বদা প্রকট থাকবে এটা ভুল। আমরা অবশ্যই আগের অবস্থায় ফিরে যাব। ফনিক্সের স্কুল শিক্ষক জন কনটাক বলছেন, ওহিওতে বাবা-মাকে দেখতে যাব। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে বিমান ভ্রমণে ভয় পাচ্ছি।