ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের সিইও তাজবিরুল আহমেদ চৌধুরী বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন। ব্যাংক হিসাব তলব ও ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের বিষয়ে গতকাল মুঠোফোনে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের পতন হয়েছে মাহতাবুর রহমান ও তার সহযোগীদের কারণে। এ বিষয়ে এর আগেও বিভিন্ন সংস্থা তদন্ত করেছে।
নতুন করে বিএফআইইউ কী তদন্ত করবে, তা বুঝে আসছে না। কোম্পানির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে চার বছরের বেশি সময় ধরে। এখনো আমাদের কাছে উড়োজাহাজের ইঞ্জিনসহ যেসব সম্পদ আছে, তা বিক্রি করে কোম্পানির দায়দেনা পরিশোধ করা সম্ভব হবে। তবে আমি এখনো এয়ারলাইনসটি চালু করার স্বপ্ন দেখছি।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়াসহ কয়েকটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ৩০০ কোটি টাকার দেনা রয়েছে। কোম্পানিটির অন্যান্য দায়-দেনার পরিমাণ প্রায় হাজার কোটি টাকা।
এ অবস্থায় ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেও অর্থ আদায় করতে পারছে না ব্যাংকগুলো। ব্যাংকঋণ পরিশোধের বিষয়ে তাজবিরুল আহমেদ চৌধুরী জানান, ইসলামী ব্যাংকের কাছে আমাদের প্রায় ৫০০ কোটি টাকার ঋণ ছিল। এর মধ্যে ৪০০ কোটি টাকা এরই মধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। এখন ব্যাংকটির কাছে যে ঋণ আছে তার সুদ বাদ দিয়ে ১০০ কোটি টাকার বেশি হবে না। আবার স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার ঋণও বেশি নয়।