শেয়ার মার্কেটের শীর্ষ ১০ এয়ারলাইন্সের ৯টিই চীনের

করোনা মহামারীতে বিশ্বে চীনের এয়ারলাইন্সগুলো সবচেয়ে ভাল অবস্থায় রয়েছে। দেশটির ১.৪ বিলিয়ন নাগারিক বিমান ভ্রমণের জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে। চীনা কারেন্সি ই্উয়ানের অবস্থান এখন সংহত এবং তেলের দাম কমে যাওয়ায় যাত্রীরা সহজে ভ্রমণ করতে পারছে। ব্লুমবার্গের একটি জরিপে দেখা গেছে, শেয়ার মার্কেটে শীর্ষ ১০ এয়ারলাইন্স কোম্পানির ৯টিই চীনের। অন্যটি ভারতের ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স। গত তিন মাসের অবস্থান হিসেব করে এই জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে। এর মধ্যে এয়ার চায়না ডাবল ডিজিট সাফল্য ধরে রেখেছে। লাইভমিন্টের খবর।
করোনা ভাইরাস ভ্রমণ পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে। দেশে দেশে সীমান্ত ও সব ধরণের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায় এই মহামারীতে। দেশগুলোর সরকার নজিরবিহীন নিষেধাজ্ঞা জারি করে পরিবহন খাতে বিশেষ করে এয়ারলাইন্সে। ইন্টারন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, ২০২৪ সালের আগে বিশ্বের ২৯০টি এয়ারলাইন্স আগের অবস্থায় ফিরতে পারবে না।
চীনা মুদ্রা ইউয়ান শক্তিশালী হওয়ায় চলতি মাসে শেয়ারবাজার ত্বরান্বিত হয়েছে। সম্প্রতি তেলের দাম কমে যাওয়ায় জ্বালানি খরচ কমেছে যার ফলে ফ্লাইট ওড়াতে চীনের বহু এয়ারলাইন্স স্বস্তি বোধ করছে। তবে চীনের সবচেয়ে বড় তিন এয়ারলাইন্স চায়না এয়ালাইন্স, চায়না সাউদার্ন এবং চায়না ইস্টার্ন এখনও লাভের মুখ দেখতে পারছে না। বছরের প্রথমার্ধেই তাদের ১.২ বিলিয়ান ডলার (৮ বিলিয়ন ইউয়ান) লোকসান দিতে হয়েছে।
তবে এভিয়েশন বাণিজ্য লাভজনকভাবে ফিরে আসার আশা তারা ত্যাগ করেনি। অক্টোবরের প্রথমে চীনের জাতীয় দিবস উপলক্ষে টিকিট বুকিং বেড়েছে। তারা আশা করছে ২০২১ সালে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট গত বছরের চেয়ে ১৫ শতাংশ বেশি পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

Comments (0)
Add Comment