আকাশসীমায় সামরিক-বেসামরিক বিভেদ ঘুচাচ্ছে ভারত

আকাশসীমার কার্যকরী ব্যবহার (এফইউএ) উপলক্ষে শক্তিশালী কর্মপদ্ধতি হাতে নিয়েছে ভারত। বেসামরিক ও সামরিক বিমান চলাচলের মধ্যে সামঞ্জস্য সৃষ্টি ও আকাশসীমা সুসংহত করতে এই পদ্ধতি হাতে নেয়া হয়েছে।

এক্ষেত্রে এয়ারলাইন্সগুলো তাদের প্রভাব আরও বেশি যুক্ত করতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে। এয়ারলাইন্স আইএটিএর খবর।
ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রান্সপোর্টেশন অথরিটির (আইএটিএ) ভারতীয় ডিরেক্টর অমিতাভ খোসলা বলছেন, আকাশসীমার উন্নয়ন ও কার্যকরী ব্যবহারের যে কর্মপদ্ধতি সরকার হাতে নিয়েছে তাতে এয়ারলাইন্সগুলো সরাসরি রুট ব্যবহার করতে পারবে।

এতে ফ্লাইটে সময়ের সদ্ব্যবহার হবে এবং ফ্লাইট পরিচালনার খরচ কমে যাবে। তিনি বলছেন, আকাশসীমার উন্নয়ন এভিয়েশনে টেকসই উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম হবে। এতে এয়ারলাইন্সের জ্বালানি সাশ্রয় ও শিল্পের প্রতিশ্রুতশীলতা প্রমাণিত হবে। সর্বোপরি কার্বন নির্গমন রোধেও ভূমিকা রাখবে।

জুলাইয়ের শেষ দিকে ভারতের নতুন গঠিত এয়ারস্পেস ম্যানেজমেন্ট কমিটি কাজ শুরু করে। এয়ারস্পেস ব্যবহার বিধির ওপর তার ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করে। বিশেষ করে বেসামরিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে রুটের প্রাচুর্যতা এবং সামরিক আকাশসীমা সংরক্ষণে তারা গুরুত্ব দিচ্ছে। ভারতের আকশাসীমার ৪০ শতাংশ সামরিক শক্তির জন্য সংরক্ষিত। দিল্লীর মতো স্পর্শকাতর এলাকাও মিলিটারি আকাশসীমার মধ্যে সংরক্ষিত। এটা একটা বড় সমস্যা।

এফইউএর মাধ্যমে আশা করা যাচ্ছে, মুম্বাই থেকে অমৃতসর, জম্মু ও শ্রীনগরে বিমানপথে যেতে ১৫ মিনিট সময় কমে আসবে। উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ ভারতের রুটগুলোতেও এ সুবিধা মিলবে। উদারহণ স্বরূপ ‌’এয়ারওয়ে এল৬৩৯’ আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের প্রতিটিতে ১০ মিনিট কমাতে সক্ষম হয়েছে। যদিও সুবিধার পরিমাণ এখনও নির্ণয় করা যায়নি। তবে খোসলা নিশ্চিত করে বলছেন, এফইউএ ভারতীয় আকাশপথে সংহতি বয়ে আনবে। তিনি বলছেন, এয়ারলাইন্সের খারাপ সময় যাচ্ছে। সংকট কাটাতে সরকারকে পাশে দাঁড়ানো উচিত। কারণ এভিয়েশন চাকরি ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সম্ভাবনাময় খাত। এ খাত টিকে থাকলে ভারতীয় অর্থনীতির অবস্থান আরও শক্ত হবে।

Comments (0)
Add Comment