১৯৮৬ সালে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজে কর্মজীবন শুরু করেন কাইল হেউড। ব্রিটিশ এয়ারওয়েজে একটানা ১৮ বছর কাজ করার পর পরবর্তীতে তিনি গালফ এয়ার, ইতিহাদ, এয়ার অ্যারাবিয়া, নাস এয়ায়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। বিমানে যোগ দেওয়ার পূর্বে তিনি এয়ার উগান্ডার প্রধান নির্বাহী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এ যাবত অর্জিত সাফল্যের প্রশংসা করে কাইল হেউড এর সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আধুনিকায়নের অগ্রযাত্রার এই লগ্নে বিমানের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব গ্রহণ করাটা একট চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার। এই দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। সবার সহযোগিতায় বিমানকে তার যোগ্য আসনে প্রতিষ্ঠিত করতে আমি বদ্ধপরিকার’।
কাইল হেউডের যোগদানকে বিমানের জন্য একটি মাইলফলক উল্লেখ করে এয়ার মার্শাল জামাল উদ্দিন আহমেদ (অবঃ) বলেন, ‘বিমান চলাচল ব্যবসায় পরিচালনায় কায়েলের আছে দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা। আমার বিশ্বাস, তিনি তাঁর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিমান কর্মীদের মাঝে ছড়িয়ে দেবেন, যাতে করে সবাই মিলে বিমানকে সামনের দিকে নিয়ে যেতে পারে। যেটির জন্য গত ৬ বছর যাবত আমরা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছি’।
আপদকালীন সময়ে দ্রুত কার্যকরী ভূমিকা নেওয়ার জন্য কায়েল প্রশংসিত হয়েছেন বহুবার। প্রতিষ্ঠানে যুগোপযোগী পরিবর্তন ঘটাতেও সিদ্ধহস্ত কায়েল। তাঁর প্রজ্ঞা ও মেধা কাজে লাগিয়ে অনেক দুর্যোগ কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে অতীতে বহুবার। প্রসঙ্গত, ব্যক্তিগত জীবনে কাইল হেউড বিবাহিত এবং এক কন্যা সন্তানের জনক।