প্লেইনটি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে ছিলেন প্লেইনের চালক ও একমাত্র যাত্রী সুইডিশ নাগরিক আন্দ্রে বশবার্গ। পেনসিলভানিয়ার লেই ভ্যালি থেকে উড্ডয়নের পাঁচ ঘন্টা পর কিছুটা ধীরগতির এ প্লেইনটি নিউ ইয়র্ক এসে পৌঁছে। এর ফলে প্লেইনটি এর গোটা পৃথিবী প্রদক্ষিণে মোট ৩৫,০০০ কি.মি. যাত্রাপথের অর্ধেকটাই পাড়ি দিল।
গত বছর জাপান থেকে ১১৭ ঘন্টা ৫২ মিনিট উড়ে হাওয়াইয়ে পৌঁছে একজন যাত্রী নিয়ে দীর্ঘতম পথ পাড়ি দেওয়ার রেকর্ড সৃষ্টি করে সোলার ইমপালস টু। তবে এ যাত্রাকালে প্লেইনের ব্যাটারি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে নয় মাস ধরে মেরামতকাজ চালানো হয়।
ফরচুন জানায়, সোলার ইমপালস টু এর এ পৃথিবী প্রদক্ষিণের প্রধান উদ্দেশ্য সৌরশক্তি নির্ভর প্রযুক্তির সুবিধা সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা সৃষ্টি করা।
আবহাওয়াজনিত পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে এরপর ইউরোপের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে সোলার ইমপালস টু। তবে পরবর্তী গন্তব্যস্থল ঠিক কোথায় তা জানতে চাওয়া হলে সংশ্লিষ্ট দলটি “আয়ারল্যান্ড এবং মরক্কোর মাঝে কোথাও” বলে ঝাপসা জবাব দেন।