সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরে লন্ডন প্রবাসী একজন যাত্রীকে হয়রানির ঘটনায় বিমানের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই ঘটনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্তকর্মীদের মধ্যে একজনকে অপেশাদারিত্বমূলক আচরণের জন্য সাময়িক বরখাস্ত এবং অপর একজনকে সিলেট স্টেশন হতে প্রত্যাহার করেছে। প্রকৃত ঘটনা তদন্তের জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়াও সম্মানিত যাত্রীকে তার ইচ্ছানুযায়ী বিমানের পরবর্তী ফ্লাইটে লন্ডন পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বিমানের উপ মহা ব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
২৮ জুলাই, ২০২১ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এর সিলেট-লন্ডন ফ্লাইট নং বিজি-২০১ এর সম্মানিত যাত্রী জনাব জামিলা চৌধুরী সিলেট থেকে লন্ডন যাত্রার প্রাক্কালে, তার ভ্রমণ শ্রেণী মোতাবেক প্রাপ্য ৪০ কেজির স্থলে তিনি ৮১ কেজি অর্থাৎ, অতিরিক্ত ৪১ কেজি লাগেজ ফি পরিশোধ ছাড়া বোর্ডিং কার্ড ইস্যু করার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু যাত্রী কর্তৃক এক্সেজ লাগেজের নির্ধারিত ফি পরিশোধ না করায় এবং এক্সেজ লাগেজের বিষয়ে যাত্রী কর্তৃক সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব করায়, অতিরিক্ত লাগেজ সংক্রান্ত সৃষ্ট জটিলতার কারণে তিনি লন্ডন ফ্লাইট মিস করেন।
বিষয়টি সিলেট স্টেশন ম্যানেজারের নজরে আসলে তিনি সম্মানিত যাত্রীকে তার অফিস কক্ষে বসিয়ে আলোচনাক্রমে বিষয়টি সুরাহা করেন এবং যাত্রীর চাহিদা মোতাবেক পরবর্তী ফ্লাইটে টিকেট রিসিডিউল করে দেন।
উক্ত যাত্রী কর্তৃক বোর্ডিং কার্ড ইস্যুর ডেস্কের সম্মুখে মোবাইলে ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজ ঘটনাত্তোর সময়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করলে এ বিষয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। উক্ত ভিডিও ফুটেজের প্রেক্ষিতে সৃষ্ট বিভ্রান্তি নিরসন এর লক্ষ্যে এবং পেশাদারিত্ব বিবেচনায় বিমানের পক্ষ থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ পরের দিন উক্ত যাত্রীর বাসভবনে যেয়ে তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যেদায়িত্বপ্রাপ্তকর্মীদের মধ্যে একজনকে অপেশাদারিত্বমূলক আচরণের জন্য সাময়িক বরখাস্ত এবং অপর একজনকে সিলেট স্টেশন হতে প্রত্যাহার করেছে। প্রকৃত ঘটনা তদন্তের জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়াও সম্মানিত যাত্রীকে তার ইচ্ছানুযায়ী বিমানের পরবর্তী ফ্লাইটে লন্ডন পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।