কমপক্ষে দুটি দেশের ইমিগ্রেশন পেরিয়ে বাংলাদেশে আসতে হতো মালদ্বীপে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের।
একইসঙ্গে কষ্টার্জিত টাকাও খরচ করতে হতো বেশি।
ভোগান্তি এড়াতে কোনোভাবেই বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হয়নি বলে জানায় মালদ্বীপ হাইকমিশন।
তবে সম্প্রতি বেসরকারি বিমান ব্যবস্থাপনায় প্রবাসীদের মিলেছে স্বস্তি, সাশ্রয় হয়েছে অর্থ- এমনটাই বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সেখানে বসবাসরত প্রবাসী-পর্যটকরা।
ভারত মহাসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নয়নাভিরাম দেশ মালদ্বীপ।
বাংলাদেশ থেকে যেতে আকাশ পথেই সময় লাগে প্রায় ৪ ঘণ্টা।
দেশটিতে বাংলাদেশির সংখ্যা প্রায় এক লাখ।
কিন্তু কোনো বাংলাদেশিই সরাসরি যেতে পারতেন না মালদ্বীপে।
ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে আকাশপথে যাতায়াত মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে হতো কাতার বা চেন্নাইয়ের ইমিগ্রেশন।
এর ফলে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় হতো তাদের।
তবে গত নভেম্বর থেকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ঢাকা-মালদ্বীপ-ঢাকা রুটে ফ্লাইট চালু হওয়ায় প্রবাসী ও পর্যটকদের দীর্ঘদিনের চাওয়া পূরণ হয়েছে বলে মত সংশ্লিষ্টদের।
সূত্র-সময় নিউজ