কিছুদিন যাবত অভিযোগের সংখ্যা বাড়ছে। প্রায়ই শুনা যাচ্ছে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লক হওয়ার খবর।
চলতি মাসের শুরুর দিকে অনেকেই এ নিয়ে ই-মেইল পেয়েছেন।
যারা এই মেইলের নির্দেশনা মেনে ‘ফেসবুক প্রটেক্ট’ চালু করেছেন তাদের অ্যাকউন্ট সচল রাখা হয়েছে।
বাকিদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।
মেইলটির হেডিং ছিল ‘ফেসবুক প্রটেক্ট থেকে আপনার অ্যাকাউন্টের জন্য অতিরিক্ত নিরাপত্তার প্রয়োজন’।
ই-মেইলটিতে একটি লিংক দিয়ে বলা হয় ওতে গিয়ে ফেসবুক প্রটেক্ট ফিচারটি চালু করে নিতে। মেইলে একটি ডেড লাইন বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
বলা হয় একটি নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে চালু না করলে অ্যাকাউন্টটি লক হয়ে যাবে।
অবশ্য ফেসবুক নির্দিষ্ট কিছু মানুষের জন্য এই সিকিউরিটি প্রোগ্রাম দিয়েছে। যারা হ্যাকারদের টার্গেটে রয়েছে অথবা যাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে হ্যাকারদের তৎপরতা লক্ষ করেছে ফেসবুক।
এতে মূলত টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালুর মাধ্যমে অ্যাকাউন্টটিকে হ্যাকিংয়ের হুমকি থেকে নিয়মিত মনিটর করতে পারবে ব্যবহারকারীরা।
এ সব অ্যাকাউন্টধারীদের মধ্যে রয়েছেনে— মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক ও সরকারি কর্মকর্তা।
security@facebookmail.com ঠিকানা থেকে মেইলটি পাঠানো হয়েছিল যা অনেকেই স্প্যাম মনে করে এড়িয়ে যায়। সংবাদ মাধ্যম ভার্জ জানায়, বাস্তবে মেইলটি স্প্যাম ছিল না।
মেইলে উল্লেখ করা প্রথম ডেডলাইনটি ছিল ১৭ মার্চ। এই ডেডলাইন শেষ হয়ে যাওয়ার পর অনেকের অ্যাকাউন্ট লক হয়ে যায়।
এসব অ্যাকাউন্ট ফিরে পেতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে অনেকের।
তবে অনেকের অভিযোগ, তাদের ফেসবুক প্রটেক্ট চালু থাকা সত্ত্বেও তাদের অ্যাকাউন্ট লক হয়ে যাচ্ছে।