ডিসেম্বরেই চালুর লক্ষ্য বিমানবন্দর থেকে তেজগাঁও

বিমানবন্দর থেকে তেজগাঁও পর্যন্ত ডিসেম্বরেই চালুর লক্ষ্য। এ অংশের অগ্রগতি প্রায় ৭০ শতাংশ। ঢালাইয়ের কাজ এগিয়েছে বনানী পর্যন্ত। তেজগাঁওতে উঠেছে ভায়াডাক্ট। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৫০ ভাগ।

বিমানবন্দর থেকে বনানী পর্যন্ত প্রায় সাড়ে সাত কিলোমিটার। এই অংশের ঢালাইয়ের কাজ প্রায় শেষ। এক হাজার ৪৮২টি পাইলের মধ্যে সব বসেছে এখানে।
৩২৫টি পাইল ক্যাপ বসানোর কাজও শেষ। বসেছে সব কলাম। ক্রস বিম বাকি ১৬টি। এ পথের ভৌত অগ্রগতি ৮৭ দশমিক ১৯ ভাগ।

পরের অংশ বনানী থেকে তেজগাঁওয়ের কাজ এগিয়েছে প্রায় ৩৫ ভাগ। পাইল, টি পাইল ক্যাপ ও কলামের কাজ এগিয়ে গেলেও এই অংশের সাড়ে চার হাজারটি আই গার্ডারের মধ্যে বসেছে মাত্র ৫০০টি। বাকিগুলো বসে গেলেই এই পথের লক্ষ্য ছুঁতে বেগ পেতে হবে না।

প্রকল্প পরিচালক এ এইচ এম শাখাওয়াত আকতার জানান, প্রথম অংশের কাজ প্রায় শেষ। টুকটাক কিছু কাজ বাকি আছে। এরপর বনানী থেকে তেজগাঁও পর্যন্ত যে অংশ আছে সেখানেও কাজ মোটামুটি এগিয়েছে। তেজগাঁওয়ে ভায়াডাক্ট উঠেছে। মাঝে নাখালপাড়ার কিছু অংশ আছে যেখানে কাজ বাকি আছে।

কর্তৃপক্ষ বলছে বিমানবন্দর থেকে কাওলা, বনানী, বিজয় সরণি, তেজগাঁও ওঠানামার সবকটি র‌্যামসহই ডিসেম্বরে খুলে দিতেই এগিয়ে চলছে কাজ।

দেশের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রাক্কলিত ব্যয় আট হাজার ৯৪০ কোটি টাকা।

Comments (0)
Add Comment