পেনসেলভেনিয়া স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞানী গ্যারি চিক বলেন, বিপরীত লিঙ্গকে বেছে নিতে এবং ভাব জমাতে খুনসুটিপূর্ণ আচরণ দারুণ কাজের।
পুরুষের মাঝে এমন আচরণ তাকে কম আগ্রাসী বলে তুলে ধরে। একইভাবে নারীদের মাঝে এ ধরনের আচরণ তার জীবনীশক্তির বহিঃপ্রকাশ। নারী-পুরুষের দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুজনের মাঝের কৌতুকপূর্ণ আচরণ চাবিকাঠি হিসাবে কাজ করে।
গবেষণায় দেখা গেছে, নারীর কাছে কোনো পুরুষের সেন্স অব হিউমার তার ওই ব্যক্তির চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। আবার পুরুষের কাছে নারীর মাঝে সেন্স অব হিউমার ব্যক্তিত্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ।
আমোদ-প্রমোদে পরিপূর্ণ দুই প্রেমিক-প্রেমিকা অন্যদের চেয়ে বেশি সৃষ্টিশীল থাকেন। তার যেকোনো সমস্যা মোকাবেলা করেন হালকা মানসিক চাপ নিয়ে। তাদের মধ্যে যেকোনো বিষয়ে দারুণ বোঝাপড়া তৈরি হয়। অপ্রাসঙ্গিক কোনো বিষয় থেকেও তারা আনন্দ কুড়য়ে আনেন।
গবেষণাপত্রে আরো বলা হয়, এ ধরনের জুটিরা একে অপরের কাছে আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী হয়ে ওঠেন। কাজেই একের প্রতি অপরের মুগ্ধতা দুজনকেই সুখী রাখে। তাই এমন আচরণের মাধ্যমেই সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে বাছাই করে নিন। সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস