বিবৃতিতে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, প্রায় প্রতি বছরের মতো এবারও কতিপয় হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে অনিয়ম ও হজযাত্রীদের সাথে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। একের পর এক হজ ফ্লাইট বাতিল, হজ ফ্লাইটে বিলম্ব, হজযাত্রীদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে হজে না পাঠানো, চুক্তিহীন বাড়িতে হাজীদের রাখা, এক বাড়ির হজযাত্রীকে অন্য বাড়িতে ওঠানো, নি¤œমানের খাবার পরিবেশন, চুক্তি অনুযায়ী কাক্সিক্ষত সুবিধাদি না দেয়াসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে হজযাত্রীদের কাছ থেকে। অনিয়ম ও প্রতারণার সাথে জড়িত এসব হজ এজেন্সির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে একদিকে প্রতারক এজেন্সিগুলোর দৌরাত্ম্য যেমন আরো বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে ধর্মপ্রাণ হজযাত্রীদের আর্থিক ক্ষতি ও দুর্ভোগ চলতেই থাকবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরো কর্তব্যপরায়ণ ও সংবেদনশীল হওয়া উচিত। তিনি আরো বলেন, হজ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম-প্রতারণার বিষয়ে হজ কর্তৃপক্ষ ও এজেন্সিগুলো শুধু পরস্পরকে দোষারোপ করে যাচ্ছে। এসব সমস্যার কার্যকর ও স্থায়ী কোনো সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে না। প্রতি বছর প্রতারণার শিকার হাজীদের অভিযোগের প্রতিকার না পাওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।
ড. জামান আরো বলেন, সউদী আরবে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের দুর্ভোগ এবং হজ এজেন্সিগুলোর অব্যবস্থাপনা ও প্রতারণার বিষয়টি বিশ্ব গণমাধ্যমে প্রতিফলিত হওয়ায় দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষুণœ হচ্ছে। অন্যদিকে হজ এজেন্সিগুলোর অনিয়ম ও প্রতারণার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় হজযাত্রীদের দুর্ভোগের দায়ও অনেকটা সরকারের ওপর বর্তায়। অনিয়ম-প্রতারণার সাথে জড়িত হজ এজেন্সিগুলোকে কালো তালিকাভুক্ত করে সুনির্দিষ্ট মাপকাঠির ওপর ভিত্তি করে পূর্ণাঙ্গ যাচাই-বাছাই করে শুধু মানসম্মত হজ এজেন্সির মাধ্যমে হজব্রত পালন প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠা করার আহ্বান জানায় টিআইবি।