প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের বরাত দিয়ে লন্ডনের বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার প্রেস নাদিম কাদির বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে বাংলানিউজকে এ তথ্য জানান।
এ সময় বিমানে প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে লন্ডনগামী যাত্রীরা আবেগাপ্লুত হয়ে ওঠেন।
নাদিম কাদির জানান, প্রধানমন্ত্রী বিমানের প্রতিটি যাত্রীর সঙ্গে হেঁটে হেঁটে কথা বলেছেন। এ সময় শিশুদের সঙ্গে মজা করে কথা বলা ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী বয়স্কদের জড়িয়ে ধরে তাদের কুশল জানতে চেয়েছেন।
বিমানে হঠাৎ করে নিজের সিটের পাশে দেশের প্রধানমন্ত্রীকে দেখে বিষ্মিত হয়ে উঠেন যাত্রীরা। প্রধানমন্ত্রী যাত্রীদের খোঁজ-খবর নেওয়ার পাশাপাশি বিমান সার্ভিস কেমন লাগছে তাও জানতে চান তাদের কাছে।
দেশে ছুটি কাটাতে গিয়ে কেমন লাগলো এমনটা জানার আগ্রহও দেখান তিনি। যাত্রীদের কেউ কেউ সাম্প্রতিক উন্নয়নে দেশের চেহারাই বদলে যাচ্ছে বলে নিজেদের অভিমত জানান প্রধানমন্ত্রীকে।
শেখ হাসিনা উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে বিমানযাত্রীদের আশ্বস্ত করে উন্নয়নকাজে সবাইকে সরকারের পাশে থাকতে তাদের প্রতি অনুরোধ জানান।
বুধবার স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৪৮ মিনিটে লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। ব্রিটেনে দায়িত্বরত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার খোন্দকার মোহাম্মদ তালহা ও মিসেস তালহা হিথরো বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি সফরে যাওয়ার পথে লন্ডনে ২২ ঘণ্টা যাত্রাবিরতি করবেন শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেলে কানাডার অন্যতম শহর মন্ট্রিয়লের উদ্দেশে লন্ডন ত্যাগ করবেন তিনি। সেখানে পঞ্চম বৈশ্বিক তহবিল পুনর্গঠন সম্মেলনে যোগ দেওয়া ছাড়াও দ্বি-পাক্ষিক একাধিক ইভেন্টে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।