সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশে জঙ্গি তৎপরতা ও নাশকতার আশঙ্কায় এসব ড্রোন আটক করা হচ্ছে। গত ছয় মাসে বিমানবন্দর কাস্টম হাউস ৬১টি এবং শুল্ক গোয়েন্দারা তিনটি ড্রোন আটক করেছেন।
এ ব্যাপারে বিমানবন্দর ঢাকার কাস্টম হাউসের কমিশনার মো. লুৎফর রহমান জানান, ড্রোন আমদানির ক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে এ ব্যাপারে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কর্মকর্তারা বলেন, প্রাথমিকভাবে ড্রোন নিয়ে আসা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দেশে জঙ্গি বা নাশকতা তৎপরতা যুক্ত থাকার কোনো তথ্য না থাকায় বহনকারীদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের নাম-ঠিকানা রাখা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনে তাদের ডাকা হবে।
লুৎফর রহমান বলেন, আটক ড্রোন খেলনা জাতীয় হলেও তা জঙ্গি বা নাশকতার কাজে ব্যবহারের আশঙ্কা থেকে জব্দ করা হচ্ছে। কেননা, ক্যামেরা ও গোয়েন্দা সামগ্রী যুক্ত থাকে এসব ড্রোনের সঙ্গে।
এ ব্যাপারে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান বলেন, সম্প্রতি বিমানবন্দরে আমদানি করা কিনটি ড্রোন জব্দ করা হয়। মঙ্গলবার রাতে শাহজালালে বিদেশ ফেরত যাত্রী নজরুল ইসলামের ব্যাগ থেকে একটি অত্যাধুনিক ড্রোন জব্দ করা হয়। অনুমোদন ছাড়া ড্রোন আমদানি করা যায় না। এ ছাড়া এটি উড্ডয়নের আগে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হয়। নানা ধরনের নাশকতার কাজে ড্রোন ব্যবহার হতে পারে_ এ আশঙ্কা থেকে এসব আমদানি বা সঙ্গে করে নিয়ে আসার ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।
মইনুল আরও বলেন, ১৪ কেজি ওজনের জব্দ করা ড্রোনটি ‘ডিজিআই প্যান্থম-৪’ মডেলের। এতে উন্নতমানের ক্যামেরা ও সেন্সর লাগানো আছে। রিমোটের সাহায্যে এটি চালানো যায়। এটি প্রতি ঘণ্টায় ৪৫ কিলোমিটার বেগে চলতে পারে। ড্রোন শুটিংয়ের পাশাপাশি গোয়েন্দা কাজেও ব্যবহার করা যায়।