প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল।
শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আগামীকাল আওয়ামী লীগের আলোচনা অনুষ্ঠান ও ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল করার কথা ছিল।
খ্যাতিমান এই লেখক মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে মারা যান। ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
কবি ও চিকিৎসক ড. আশরাফ জুয়েল জানান, হাসপাতাল থেকে সৈয়দ হকের মরদেহ তার গুলশানের বাসায় নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে লাশের গোসল শেষে জানাজা হবে। রাতে কফিন রাখা হবে হাসপাতালের হিমঘরে।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমে সৈয়দ হকের মরদেহ গুলশানে নিজ বাড়িতে নেওয়া হবে। সেখানে প্রথম জানাজা শেষে রাতে লেখকের মরদেহ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে।
বুধবার সকাল ১০টায় বাংলা একাডেমিতে নেওয়া হবে সৈয়দ হকের মরদেহ। এরপর বেলা ১১টায় দেশবরেণ্য এই কবির মরদেহ সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হবে।
শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানো শেষে বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদে জানাজা শেষে হেলিকপ্টারে করে তার মরদেহ গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে তার বাবা-মায়ের কবরের পাশে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে সমাহিত করা হবে।
সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
১৯৪৭ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের মধুমতি নদী তীরের প্রত্যন্ত পাড়াগাঁ টুঙ্গিপাড়ায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। শেখ হাসিনা বর্তমানে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।