আফ্রিকার সেরা এয়ারলাইন্স হিসেবে ২০২৬ সালের এপেক্স বেস্ট এয়ারলাইন ইন আফ্রিকা অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স। যাত্রীদের ভোট ও বাস্তব ভ্রমণ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দেওয়া এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আফ্রিকার বিমান চলাচল খাতে প্রতিষ্ঠানটির শক্ত অবস্থানকে আরও দৃঢ় করেছে।
রোববার ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় প্রকাশিত এক ঘোষণায় এ তথ্য জানানো হয়। এপেক্স প্যাসেঞ্জার চয়েস অ্যাওয়ার্ড বিশ্বের বিভিন্ন এয়ারলাইন্সে ভ্রমণ করা যাত্রীদের স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত মতামতের ভিত্তিতে প্রদান করা হয়। ফলে এই পুরস্কারকে যাত্রীদের সরাসরি আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, টিকিট বুকিং থেকে শুরু করে গন্তব্যে পৌঁছানো পর্যন্ত যাত্রীদের জন্য নিরবচ্ছিন্ন, আরামদায়ক ও নির্ভরযোগ্য ভ্রমণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করাই তাদের মূল লক্ষ্য। উন্নত সেবা, আধুনিক উড়োজাহাজ, সময়ানুবর্তিতা এবং পরিচালন দক্ষতার কারণে প্রতিষ্ঠানটি যাত্রীদের আস্থা অর্জন করেছে।
ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের গ্রুপ সিইও মেসফিন তাসেউ বলেন, “যাত্রীদের কাছ থেকে এই স্বীকৃতি পাওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। এটি আমাদের কর্মীদের কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা এবং দলগত প্রচেষ্টার ফল। আফ্রিকার সেরা এয়ারলাইন্স হিসেবে স্বীকৃতি আমাদের আরও উন্নত সেবা দিতে অনুপ্রাণিত করবে।”
এদিকে এপেক্স গ্রুপের প্রধান নির্বাহী ডক্টর জো লিডার বলেন, এক মিলিয়নের বেশি যাচাইকৃত ফ্লাইট রেটিং বিশ্লেষণের মাধ্যমে এই পুরস্কার নির্ধারণ করা হয়েছে। তার মতে, যাত্রীসেবা, পরিচালন দক্ষতা এবং আফ্রিকার বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স ধারাবাহিক নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে।
বর্তমানে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্স বিশ্বের পাঁচটি মহাদেশে ১৬০টিরও বেশি যাত্রী ও কার্গো গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। আধুনিক বোয়িং ৭৮৭, বোয়িং ৭৭৭ এবং এয়ারবাস এ৩৫০ উড়োজাহাজ নিয়ে পরিচালিত এই এয়ারলাইন্সটি ভবিষ্যতে ডিজিটাল প্রযুক্তি, আধুনিক বিমান এবং বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে আরও বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে।