সালমানের কৃষ্ণসার হরিণ মামলাটি বেশ পুরোনো। দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে চলে আসছিল এ মামলা। গত জুলাইয়ে এ মামলা থেকে এ অভিনেতাকে অব্যাহতি দেন স্থানীয় উচ্চ আদালত।
গতকাল মঙ্গলবার রাজস্থান সরকার জানিয়েছে, মামলাটির রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করবে তারা।
‘সরকার মামলাটির সুফল এবং কুফল পর্যালোচনা করেছে এবং এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে আপিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে’, সাংবাদিকদের বলেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী রাজেন্দ্র রাঠোর।
রাজ্য সরকারের তরফে নিযুক্ত আইনজীবী শিবমঙ্গল শর্মা জানান, সালমানের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল জমা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মাঝে ছুটি পড়ে যাওয়ায় এখনো তারিখ পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত ২৫ জুলাই এ মামলা থেকে সালমানকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়- সালমান খান যে হরিণ হত্যা করেছে তার কোনো প্রমাণ মেলেনি। এ জন্য তাকে এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
১৯৯৮ সালে হিন্দি সিনেমা হাম সাথ সাথ হ্যায়’র শুটিং চলাকালীন যোধপুরের কাছে কঙ্কনী গ্রামে বিরল প্রজাতির কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের অভিযোগ ওঠে সালমানসহ আরো কয়েকজন বলিউড অভিনয়শিল্পীর বিরুদ্ধে।
সালমানের বিরুদ্ধে বেআইনি অস্ত্র রাখারও অভিযোগ ওঠে। অভিযোগে বলা হয়েছিল, সালমানের কাছে যে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল তার লাইসেন্সের মেয়াদ ফুরিয়ে গিয়েছিল। সে সময় পুলিশের কাছে সালমানের বিরুদ্ধে সংরক্ষিত কৃষ্ণসার হরিণ শিকারে জড়িত থাকার অভিযোগও দায়ের করা হয়। ২০০৭ সালে এ মামলার জন্য এক সপ্তাহ জেল খেটেছিলেন সালমান। পরে জামিনে ছাড়া পান তিনি।