ব্রুসন বিল্ডিংয়ের বাংলাদেশি মালিকানাধীন চার্টার্ড অ্যাকাউটেন্ট প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার ইয়াকুব এ. খান সিপিএ জানান, বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে তিনতলায় একটি কোনার কক্ষ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ভবনের ফায়ার অ্যালার্ম শোনার পর তিনি দ্রুত বাইরে বেরিয়ে যান। দমকল বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে। কিন্তু প্রায় ৪০ মিনিট পর তারা আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।
ইয়াকুব খান জানান, ব্রুসন বিল্ডিংয়ে কমপক্ষে ২০টি বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সবগুলো প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিকাল সাড়ে পাঁচটায় আগুন লাগলেও তা নিয়ন্ত্রণে আসে রাত সাড়ে ১১টার পর। দমকল বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য ওই এলাকায় অবস্থান নেন। কিন্তু চারতলা বিশিষ্ট একটি ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘসময় লাগায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তবে দমকল বাহিনীর সহকারী প্রধান রবার্ট মেনেস সাংবাদিকদের জানান, অগ্নিকাণ্ডের লেলিহান শিখা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে ভবনটির ভেতর প্রবেশ করা অসম্ভব ছিল। এ কারণে বাইরে থেকেই আগুন নেভানোর চেষ্টা চালানো হয়েছে। এতে সময় কিছুটা বেশি লাগলেও যাতে প্রাণহানি না হয় সেদিকেই গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত সম্পর্কে প্রাথমিকভাবেও কিছু জানাতে পারেননি।
এদিকে ব্রুসন বিল্ডিংয়ে আগুনের ভয়াবহতায় আশেপাশের ভবন থেকে প্রতিবেশীদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিবেশী সরোয়ার খান বাবু জানান, ব্রুসন বিল্ডিং সংলগ্ন এপার্টমেন্ট ভবনে তিনি সপরিবারে বাস করেন। এখানে আগুন লাগার পর দমকল বাহিনী ও পুলিশ তাদের এপার্টমেন্ট থেকে প্রায় দেড়শ পরিবারকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে। ধোঁয়ার কুণ্ডলীতে তার শিশুপুত্র অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
– শহীদুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র