বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, দেশে বর্তমানে উড়োজাহাজ সঙ্কট রয়েছে। তবে বেশ কয়েকটি উড়োজাহাজ কেনার প্রক্রিয়া চলছে। নতুন বিমান এলে গুরুত্ব বিবেচনা করে অবশ্যই রাজশাহী-ঢাকা রুটে বিমানের ফ্লাইট চালু করা হবে।
এ সময় বাংলাদেশ বিমানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে রাজশাহীর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ করে বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী বলেন, লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠান টিকে থাকতে পারে না। বন্ধ হয়ে গেলে কী হবে তা আপনারা সবাই জানেন। সেজন্য সজাগ থাকতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, বিমান কেবল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানও। তাই বিমান যেন লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয় সেজন্য যথাযথ সেবা দিয়ে যাবেন। এর আগে মন্ত্রী অব্যাহত লোকসানের মুখে রাজশাহী বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন এবং যত শিগগিরই সম্ভব তা সমাধানের জন্য সবাইকে আশ্বাস দেন।
রাজশাহী বিমানবন্দর পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য এবং ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরো সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বিমানবন্দর সিভিল এভিয়েশনের উপ-পরিচালক আবুল কাশেম, রাজশাহী বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক সেতাফুর রহমান ছাড়া বিমানবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।