আন্তর্জাতিক বাজারের দিকে তাকালে দেখা যায়, এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে এক বছর আগের একই সময়ের তুলনায় যাত্রী পরিবহন বেড়েছে ৫.৫ শতাংশ এবং বিমান সংস্থাগুলোর সক্ষমতাও বেড়েছে ৫.৮ শতাংশ। সব অঞ্চলেই বিমান চাহিদা বেড়েছে। আইএটিএর সিইও টনি টেইলের বলেন, ‘মানুষ বিমান ভ্রমণ করছে।
এ খাতে চাহিদা বাড়ায় তা অর্থনীতিতেও ভালো ভূমিকা রাখছে।’ তিনি বলেন, উন্নত বিশ্ব ও উদীয়মান দেশগুলো থেকে বিমান যাতায়াতে ভালো প্রবৃদ্ধি এসেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে গত বছর বিমান যাতায়াত বাড়ে ৫.২ শতাংশ এবং এ বছরের জানুয়ারিতে বাড়ে ৮.০ শতাংশ। জানানো হয়, সব অঞ্চলেই বিমান যাত্রী বেড়েছে।
সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারিতে চীনে অভ্যন্তরীণ বিমান ভ্রমণ বেড়েছে ১২.০ শতাংশ, রাশিয়ায় ১০.৫ শতাংশ এবং জাপানে বেড়েছে ৪.৯ শতাংশ। এ সময় বিশ্বে অভ্যন্তরীণ রুটে মোট যাত্রী পরিবহন হয় ৩৭ শতাংশ। এতে এগিয়ে রয়েছে উত্তর আমেরিকার বিমান সংস্থাগুলো। যারা ৬৭ শতাংশ যাত্রী পরিবহন করেছে।
ফেব্রুয়ারিতে ভারতের অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান যাতায়াত এক বছর আগের একই সময়ের তুলনায় কমেছে ১.৮ শতাংশ। আইএটিএর মতে, একমাত্র ভারতেই অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রী পরিবহন কমেছে। নির্বাচনও চাহিদা বাড়াতে পারেনি। এর অর্থ দাঁড়ায় দেশটির অ্যাভিয়েশনশিল্প কিছুটা সমস্যায় আছে। সংস্থার মতে, বিমান ভ্রমণে কর কমানো হলে যাত্রী পরিবহন আরো বাড়বে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে ও কর্মসংস্থান বাড়াবে।