হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ রেখে পালালেন স্বামী

স্ত্রীর লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়েছেন স্বামী। নিহত গৃহবধূ নাম রেবেকা শাহিন রত্না (৩২)।

গৃহবধু রত্না পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা শহরের রহিমপুর খলিলের মোড় এলাকার মৃত আবদুস সামাদ মজনুর মেয়ে ও আবদুল কুদ্দুসের স্ত্রী।

বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে স্বামীর ওপর অভিমান করে শোয়ার ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই গৃহবধূ। রুম্মান খান নামের পাঁচ বছরের পুত্রসন্তান রয়েছে এই দম্পতির।

নিহতের পরিবার জানান, রত্নার স্বামী আবদুল কুদ্দুস একজন সৌদি প্রবাসী। দীর্ঘদিন পর গত কয়েকদিন আগেই দেশে ফিরেছেন। বিকালে শিশুসন্তান রুম্মানকে (নিহত গৃহবধূর ছেলে) কোনো কারণে মা রত্না চড়-থাপ্পড় মারেন। শিশু সন্তানকে মারধরের কারণে স্বামী কুদ্দুস এ সময় স্ত্রী রত্নার গায়ে হাত তোলেন।

এতে স্বামীর ওপর অভিমান করে শোয়ার ঘরের আড়ার সঙ্গে রত্না গলায় ফাঁস নেয়। সংজ্ঞাহীন অবস্থায় হাসপাতালে আনা হলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্ত্রীর মৃত্যুর খবর শুনে আবদুল কুদ্দুস ভয়ে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়।

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার তানজিলা মোস্তফা জানান, গলায় ফাঁস নিয়ে গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে আনার আগেই গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

ঈশ্বরদী থানার ওসি বাহাউদ্দিন ফারুকী গলায় ফাঁস নিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। স্বামী পলাতক রয়েছে।

Comments (0)
Add Comment