মহাকাশযানটি চলতি মাসে অবমুক্ত করার জন্য সবধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছিল। একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা যন্ত্রের ভ্যাকুয়াম লিক হওয়াতে তা পিছিয়ে চলতি বছরের ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে নাসা’র বিজ্ঞান মিশন অধিদপ্তরের সহযোগী প্রশাসক জন গ্রান্সফেল্ড বলেন, ‘বিজ্ঞানের কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি আমরা। নাসা এবং ফ্রান্সের স্পেস এজেন্সি সেন্টার ন্যাশনাল ডি’ইটুডেস স্পেটিয়ালেস (সিনেস) কারিগরি সমস্যাগুলো দক্ষতার সাথে সমাধানের চেষ্টা করছে। গত দশকে মঙ্গলের অভ্যন্তরের অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য বিজ্ঞানীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে রয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে বিজ্ঞানীদের লোভনীয় লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে মঙ্গল যাত্রা। আমরা আনন্দিত যে আমরা মঙ্গল যাত্রার জন্য ২০১৮ সালকে ঘোষণা করতে পেরেছি।’
নাসা’স জেট প্রোপলশন ল্যাবরেটরির (জেপিএল) প্রকৌশলীরা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াতে মহাকাশযানটির পুনর্গঠন করছেন। নতুন ভ্যাকুয়ামের যোগ্যতা নিরূপণ করে সিসমিক এক্সপেরিমেন্ট ফর ইন্টেরিয়র স্ট্রাকচার (সেইস) তৈরি করছেন। এর যান্ত্রিক ক্রুটির কারণেই মহাকাশযান পাঠানোর তারিখ পিছিয়েছে নাসা।