উল্লেখ্য গত ১৩ মার্চ এয়ার ভাইস মার্শাল সানাউল হককে সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যানের পদ থেকে প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়। প্রজ্ঞাপনে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) নতুন চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেয়া হয় এয়ার ভাইস মার্শাল এহসানুল গনি চৌধুরীকে। পাশাপাশি ওই পদে থাকা এয়ার ভাইস মার্শাল এম সানাউল হককে নিজ বাহিনীতে ফিরিয়ে নেয়া হয়।
সম্প্রতি ঢাকা থেকে বিমানের সরাসরি লন্ডনের কার্গো ফ্লাইটের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে যুক্তরাজ্য। অভিযোগ আছে সানাউল হক যোগদানের পর থেকে দেশের সব গুলো বিমান বন্দরের সব ধরনের উন্নয়ন কর্মকান্ডের গতি কমে যায়। যুক্তরাস্ট্র ও যুক্তরাজ্যের এভিয়েশন গোয়েন্দা দল শাহজালালের নিরাপত্তা নিয়ে বেশি কিছু সুপারিশ করলেও এ ব্যাপারে তিনি দীর্ঘদিন কোন অ্যাকশন নেননি। এক পর্যায়ে অস্ট্রেলিয়া ঢাকা থেকে বিমানে কার্গো নেয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এরপরও তিনি বিষয়টি আমলে না নিয়ে চুপচাপ বসে ছিলেন। এক পর্যায়ে যুক্তরাজ্যও ঢাকা থেকে বিমানে সরাসরি কার্গো পন্য পরিবহনের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এতেও সিভিল এভিয়েশন কোন বড় ধরনের পদক্ষেপ নেয়নি। অস্ট্রেলিয়ার মতো যুক্তরাজ্য শাহজালাল বিমান বন্দরে অপর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও জনবলের অভাবের জন্য সিভিল এভিয়েশনের গাফিলতি ও অবহেলাকে দায়ী করে। এ প্রেক্ষাপটে মন্ত্রণালয় গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনা হলো। এদিকে এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, অস্ট্রেলিয়ার নিষেধাজ্ঞার পর যদি সিভিল এভিয়েশন ত্বড়িত ব্যবস্থা নিতেন তাহলে এখন ৭৪ কোটি টাকা ব্যায় করে যুক্তরাজ্যের কোন কোম্পানীকে শাহজালালে নিয়োগ দেয়া লাগতো না।